দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ, অধিকারী গড়ে গিয়ে কটাক্ষ! তৃণমূলে পাঁচিলের ওপরে থাকাদের চিহ্নিত করতে ডাক সায়নীর
কাঁথির ডর্মেটরি মাঠে তৃণমূল (trinamool congress) যুব কংগ্রেসের সাংগঠনিক সভা। সেই সভাতেই রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (saayoni ghosh) দলে থাকা গদ্দারদের চিহ্নিতকরণের ডাক দিলেন। পাশাপাশি নাম না করে
কাঁথির ডর্মেটরি মাঠে তৃণমূল (trinamool congress) যুব কংগ্রেসের সাংগঠনিক সভা। সেই সভাতেই রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (saayoni ghosh) দলে থাকা গদ্দারদের চিহ্নিতকরণের ডাক দিলেন। পাশাপাশি নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে (suvendu adhikari) কালসাপ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

দলে থাকা গদ্দারদের চিহ্নিতকরণের ডাক
দায়িত্ব পাওয়ার পরে রাজ্য নেত্রী সফর শুরু করলেন জেলা সম্মেলন দিয়ে। তৃণমূলের দাবি অনুযায়ী, বিজেপিতে ভাঙনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় যুব সংগঠনের প্রথম জেলা সম্মেলন করা হয়েছে অধিকারী পরিবারের গড় বলে পরিচিত কাঁথিতে। সেই সভায় সায়নী ঘোষ দলে থাকা গদ্দারদের চিহ্নিতকরণের ডাক দিলেন। তিনি বলেন, ভোটের সময় বা পরে নয়, গদ্দারদের খোঁজার কাজ শুরু করতে হবে এখন থেকেই। তিনি বলেন, যাঁরা পাঁচিলের ওপরে বসে ভেবেছিলেন, বিজেপি আসলে সেদিকে ঝুঁকবেন, কিন্তু তৃণমূল ফিরে আসায় সেদিকে চলে গিয়েছেন, এমন লোকদের খুঁজে বের করার ডাক দেন। তবে শুধু খুঁজে বের করাই নয়, হয় ছেঁটে ফেলতে হবে, না হলে দলেই দূরত্ব বজায় রেখে চলার পরামর্শও দেন তিনি। সেক্ষেত্রে দলে চা বওয়ানোর কাজ করানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা
শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করতে গিয়ে তিনি বলেন, পূর্ব মেদিনীপুরের মাটি বিপ্লবের মাটি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মাটিতে দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পুষেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মাটিতেই ঘর শত্রু বিভীষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ১১ টার মধ্যে নয় গোল দিয়েছেন, ভাল খেলেছেন। বিজেপি এমএলএ, এমপি কিনে নেয় বলেও মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে সায়নী ঘোষকে।

ফাঁকা বাটি নিয়ে বসতে হবে বিজেপিকে
অধিকারী গড়ে বিজেপি ভাঙছে বলে দাবি তৃণমূলের। সেব্যাপারে সায়নী ঘোষ বলেছেন, ৩০ জন বিজেপি নেতা-নেত্রী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন। কটাক্ষ করে যুব কংগ্রেস সভানেত্রী বলেছেন, বিজেপিকে এরপর ফাঁকা বাটি নিয়ে বসতে হবে।

বড় ছাপ্পাবাজ ও ধাপ্পাবাজ
সভায় উপস্থিত যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, এরপর এমপি প্যাডের ওফরে অধিকারীদের নাম থাকবে না। তিনি দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী নিজের জেলায় যে কটা আসন জিতেছেন, তার মধ্যে দু-কিনটিতে ছাপ্পা মেরে জিতেছেন। নন্দীগ্রামের বিধায়ককে বড় ছাপ্পাবাজ এবং ধাপ্পাবাজ বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে এমন একজনকে রাজ্য বিরোধী দলনেতা হিসেবে পেয়েছে, যাঁর বিধায়ক হিসেবে জিতে আসা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী জিতে আসেননি।












Click it and Unblock the Notifications