Suvendu Adhikari: ইডির নজরে কি আরও এক তৃণমূল বিধায়ক? শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে জল্পনা
Suvendu Adhikari: কলকাতা থেকে কোচবিহার সর্বত্রই বাংলায় বিকল্প রাজনীতি নিয়ে পোস্টার রহস্য। যা নিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাননি বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। এই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিকল্প বিজেপি, কৌস্তভ বাগচী কংগ্রেসের মধ্যে থেকে কংগ্রেসকে লাইনে আনার চেষ্টা করছে।
সে চেষ্টা করছে কংগ্রেসকে যাতে লাইনে আনা যায়। কিন্তু আনতে পারবেন না। কারণ কংগ্রেসের মালিক যাঁরা, সনিয়া ও রাহুল গান্ধীরা চোর মমতা ও চোর ভাইপোর সঙ্গে চারবার বিরিয়ানি খেয়েছেন। তাই ভাই কৌস্তভের প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা রয়েছে। তাঁরা যদি লড়তে পারে লড়ুক।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আল্টিমেটলি বাংলায় বিকল্প হচ্ছে বিজেপি। কারণ কংগ্রেস টেস্টেড অ্যান্ড রিজেক্টটেড, সিপিএম টেস্টেড অ্যান্ড রিজেক্টেড, তৃণমূলও টেস্টেড ও রিজেক্টেড হওয়ার পথে। স্বাভাবিকভাবে কৌস্তভের মতো উচ্চশিক্ষিত ছেলেকে আজ নয় কাল, নয় পরশু যদি সরাতে হয়, তাহলে বিকল্পের চিন্তা করতেই হবে।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবাংলার অর্থনৈতিক, শিল্প, বেকারত্ব যে চরম জায়গায় গিয়েছে, তাতে ডাবল ইঞ্জিন সরকার ছাড়া অর্থাৎ কেন্দ্রে যে সরকার আছে রাজ্যে সেই দলের সরকার যদি না তৈরি করতে পারা যায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ বাঁচবে না।
বিরোধী দলনেতা বলেন, সিপিএম রাজ্যের অর্থনীতি ও বেকারত্বকে যে জায়গায় রেখে গিয়েছিল, তার থেকে অনেক বেশি গুণ রেখে যাচ্ছে চোর মমতার সরকার। তাই তিনি কৌস্তভ বাগচীর উদ্দেশে বলেন, আগামী লোকসভা পর্যন্ত দেখতে থাকুন। মোদীজি ৪০০ বেশি আসন নিয়ে আসবেন, তখন ডাবল ইঞ্জিন সরকার করতে গেলে বিজেপির সঙ্গেই যেতে হবে।
এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন কী বাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তারপরেই সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলাপরিষদের সভাধিপতি তথা পটাশপুরের বিধায়ক উত্তম বারিকে আয়কর নোটিশ নিয়েও মন্তব্য করেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এব্যাপারে উত্তর দিতে চান না। তিনি প্রশ্ন করেন, ও কে? কোথায় ছিল, কী ভাবে উঠে এল, তা সকলের জানা। তবে তৃণমূল নেতা উত্তম বারিক প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তদন্তের দায়িত্ব ইডির হাতে তুলে দেওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন, সাম্প্রতিক সময়ে দলত্যাগী দুই বিধায়ক বায়রণ বিশ্বাস ও তন্ময় রায়ের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications