তৃণমূল বিধায়কদের ভাঙাতে চান না শুভেন্দু, কাঁথির মঞ্চে জানালেন ক্ষমতায় আসার নয়া পন্থা
তৃণমূল বিধায়কদের ভাঙাতে চান না শুভেন্দু, কাঁথির মঞ্চে জানালেন ক্ষমতায় আসার নয়া পন্থা
বাংলার তৃণমূল সরকারের ডেডলাইন নির্ধারণ করেছিলেন এই ডিসেম্বরেই। সেজন্য তিনি তিন-তিনটি তারিখ জানিয়ে সাসপেন্সও তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তিনটি তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী মত বদল করলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন কোন পন্থায় সরকারে আসবেন তাঁরা।

বিধায়ক ভাঙিয়ে ক্ষমতায় আসতে চান না
শুভেন্দু কাঁথির মঞ্চ থেকে বুধবার জানিয়ে দিলেন তিনি বিধায়ক ভাঙিয়ে ক্ষমতায় আসতে চান না। তিনি চান ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতে। সেইসঙ্গে জানালেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। আর বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাতেও বুলডোজার চলবে।

রাজ্যে পালাবদলের যে হুজুগ তোলা হয়েছিল!
ডিসেম্বর ডেডলাইন নিয়ে প্রায় এক মাস জুড়ে সাসপেন্স তৈরি হয়েছে বাংলায়। আর শুভেন্দুর দেওয়া ডেডলাইনের শেষ দিন ছিল ২১ ডিসেম্বর। এদিন তাই কী হয়, তা নিয়ে ঔৎসুক্য তৈরি হয়েছিল। ডিসেম্বরে রাজ্যে পালাবদলের যে হুজুগ তোলা হয়েছিল, তা ভিত্তিহীন। বড় কোন ঘটনা ঘটেনি শেষদিন।

সুরবদলের নেপথ্যে পূর্ববর্তী সাক্ষাৎ জল্পনা
এতবার ডিসেম্বর ডেডলাইনের কথা বলেও আচমকা কেন সুর বদল করলেন শুভেন্দু, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছ। সম্প্রতি অমিত শাহ রাজ্যে এসেছিলেন। তিনি বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন, আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করে দিল্লি ফিরে যাওয়ার শুভেন্দু-সুকান্তদের সঙ্গেও পুনরায় বৈঠক করেন। সুরবদলের নেপথ্যে তাই পূর্ববর্তী সাক্ষাতের কোনও বিষয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

শুভেন্দুর ভোলবদল নিয়ে পাল্টা সুর কুণালের
বারবার শুভেন্দুর এই ভোলবদল নিয়ে পাল্টা সুর চড়িয়েছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, বিজেপিতে গিয়ে বলেছিল ২১-এ বদল চাই। বদল হল না। ডিসেম্বরে সরকার পড়বে বলেছিল, তা হল না। ২০২২ পেরোতে চলেছে। এখন যে বলছে ভোটে জিতে সরকার বদল হবে, এটাই তো স্বাভাবিক।

রাবরই উনি বলেন, পরে পিছিয়ে আসেন
কুণাল বলেন, এতদিন বলে আসছিল, মহারাষ্ট্রের পর বাংলা। অর্থাৎ বিধায়ক ভাঙানোর হুমকি ছিল সুস্পষ্ট। এখন ভোটে জিতে সরকার গড়ার কথা বলে ভোলবদলাতে চাইছেন। উনি ব্যক্তি রাজনীতি করছে, কুৎসার রাজনীত করছেন। বরাবরই উনি বলেন, পরে পিছিয়ে আসেন। এটাই ওঁর রাজনীতি।

জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী
শুভেন্দু অধিকারী এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্যোিিপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নেন। তিনি বলেন, বাংলার ঘুষমুক্ত ও মেধাযুক্ত কর্মসংস্থান চাই। পুলিশ ছাড়া তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব নেই। আর বাংলার বড় চোরকে আমি বুঝে নেব। এইভাবেই কাঁথির সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর ঘরে ঢুকে আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পাল্টা সভা করে এদিন অভিষেককে জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications