স্যারকে অন্য স্কুলে যেতে দেওয়া হবে না, কাঁকসায় পড়ুয়া, অভিভাবকদের বিক্ষোভ
স্যার অন্য স্কুলে বদলি হয়ে যাচ্ছেন। এই কথা কানে এসেছিল অভিভাবকদের। কালবিলম্ব করেননি তারা। বুধবার সাত সকালে হাজির হয়েছিলেন স্কুলের সামনে। বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়েই শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ।
স্যারকে কিছুতেই অন্য স্কুলে বদলি করা যাবে না। এই দাবি তোলেন পড়ুয়া, অভিভাবকরা। স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হল। যাকে নিয়ে এত বিক্ষোভ হইচই, তিনি টিচার ইনচার্জ রাজেশ কুমার অধিকারী। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের কাঁকসার প্রয়াগপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

টিচার ইনচার্জের বদলির নির্দেশ এসেছে। প্রয়াগপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বিদ্যালয়ের পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। বুধবার সকাল সাতটা থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ।পড়ুয়াদের দাবি, টিচার ইনচার্জ রাজেশ কুমার অধিকারীকে বদলি করা যাবে না।
স্যার অত্যন্ত স্নেহের সঙ্গে পড়ুয়াদের পড়াশোনা করান। কোনও পড়ুয়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে পরের দিন সটান তার বাড়িতে গিয়ে হাজির হন ওই শিক্ষক। কী কারণে বিদ্যালয়ে সে আসেনি, তার খোঁজ নেন। তার জন্যই বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান এখন অনেকটাই ভালো।
এমনকী বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের অনুপস্থিতির হারও কমে গিয়েছে। তাই সকলের প্রিয় শিক্ষককে কেউ ছাড়তে চান না। এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভে নামে পড়ুয়ারা। তাদের সঙ্গে অভিভাবকরা ছিলেন।
টিচার ইনচার্জ রাজেশ কুমার অধিকারী জানিয়েছেন, তাকে বদলি করে কাঁকসার সিলামপুরে পাঠানো হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে ওই বিদ্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে। সেই অর্ডার আসার খবরেই মানুষ তাকে যেতে দিতে চায় না।
এলাকার মানুষ ও পড়ুয়ারা তাকে ভালোবাসে।এটা তার কাছে একটা আলাদা প্রাপ্তি। এর আগেও বদলির নির্দেশ এসেছিল। সেই সময়েও মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়ে তাকে আটকে দেন। তবে সরকারি নির্দেশ তিনি অবমাননা করতে পারেন না। তাই তিনি গোটা বিষয়টি স্কুল পরিদর্শককে জানিয়েছেন। তারা যা সিদ্ধান্ত নেবেন। তাই তাকে মেনে চলতে হবে। জানিয়েছেন স্যার রাজেশ কুমার অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications