দিঘায় ভয়ঙ্কর সমুদ্র, তীব্র জলোচ্ছ্বাসে গার্ড ওয়াল টপকে হু হু করে জল ঢুকছে শহরে
দিঘায় ভয়ঙ্কর সমুদ্র, তীব্র জলোচ্ছ্বাসে গার্ড ওয়াল টপকে হু হু করে জল ঢুকছে শহরে
একদিকে পূর্ণিমার ভরা কটাল ও নিম্নচাপের জোরা ফলায় উত্তাল সমুদ্র। গার্ড ওয়াল টপকে জল ঢুকতে শুরু করেছে সমুদ্রের জল। আগেই এই িনয়ে সতর্ক করেছিল আবহাওয়া দফতর। গতকাল থেকেই আবহাওয়ার অবনতি হতে শুরু করেছিল। গতকাল থেকে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সমুদ্র। পূর্ণিমার ভরা কোটালে আরও ফুঁসে উঠেেছ সমুদ্র। সপ্তাহান্তে দিঘায় ভিড় করতে শুরু করে পর্যটকরা। তাই আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে পর্যটকদের।

উত্তাল দিঘার সমুদ্র
উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ। তার জেরে দক্ষিণবঙ্গের বর্ষণের দাপট বেড়েছে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলায় বর্ষার দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। গতকাল সন্ধে থেকেই দিঘার সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। হাওয়ার দাপট বেড়েছে দিঘায়। তার সঙ্গে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। জলোচ্ছাস বাড়ছে সমুদ্রে। ইতিমধ্যেই গার্ডওয়াল টপকে জল ঢুকতে শুরু করেছে শহরে।

মাইকে করে সতর্কতা জারি
দিঘার সমুদ্রে যাতে পর্যটকরা স্নান করতে না যান সেকারণে মাইকে করে প্রচার করা হচ্ছে। সৈকতে সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে পর্যটকদের। এদিকে শহরের একাধিক জায়গায় জল জমতে শুরু করে দিয়েছে। দিঘা সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন কারণ সমুদ্রের নোনা জল ঢুকতে শুরু করেছে গ্রামের ভেতর। ভরা কটালের কারণে ফুলে উঠেেছ সমুদ্র। সেকারণেই জল ঢুকছে দিঘা শহরে। একই অবস্থা দক্ষিণ ২ পরগনার ফ্রেজার গঞ্জে সেখােন জল ঢুকতে শুরু করেছে শহরের মধ্যে।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ
ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের আগামী ২ দিন সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে আগেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। নামখানাতে মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদের আজকের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। কারণ আজ এবং আগামীকাল সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ভরা কোটালের কারণে সমদ্রে জলোচ্ছ্বাস বাড়তে শুরু করেছে। তার উপরে আবার িনম্নচাপের ভ্রুকুটি। ওড়িশা উপকূলে তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। সেটি শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে।

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার ঘাটতি
মৌসুমী বায়ু দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করলেও তেমন বর্ষা হচ্ছে না। অর্থাৎ বর্ষার দাপট তেমন দেখা যাচ্ছে না। কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের সব জেলাতেই জুন মাসে প্রায় ৪০ শতাংশ বর্ষার ঘাটতি ছিল। সেটা কমতে শুরু করবে জুলাই মাসে এমনই আশা করেছিলেন আবহাওয়াবিদরা। কিন্তু জুলাই মাসের প্রায় মাঝামাঝি এসে গেছে তারপরেও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে েতমন বর্ষার দেখা েনই। িনম্নচাপের দাপটে কিছুটা বর্ষণ দেখা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications