অভিষেকের সভার পরের দিনই তমলুকে সমবায় সমিতির নির্বাচনে ধুন্ধুমার, লাঠিচার্জ পুলিশের
অভিষেকের সভার পরের দিনই তমলুকে সমবায় সমিতির নির্বাচনে ধুন্ধুমার, লাঠিচার্জ পুলিশের
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুর। নন্দীগ্রামের ভূপতিনগরে বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে শান্তি কুঞ্জের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। তারপরেই আবার সমবায় নির্বাচনে ধুন্ধুমার কাণ্ড। রবিবার সকাল থেকে তমলুকে সমবায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কর পরিস্থিতি ছিল। বেলা যত গড়িয়েছে সেই উত্তেজনার পারদ তত বেড়েছে। এই নিয়ে রবিবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাবাবিক রাখতে শেষে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে একের পর এক সমবায় সমিতির নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেতে হয়েছে শাসক দলকে। বাম-বিজেপি জোট গড়ে একাধিক জায়গায় সমবায় নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। তাই নিয়ে প্রবল টানাপোড়েন চলেছে বামেদের অন্দরে। বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গঠন করায় আলিমুদ্দিন স্ট্রিট কড়া পদক্ষেপ করেছিল। তারপরেই আবার তমলুকে সমবায় সমিতির নির্বাচনে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধেছে।
রবিবার সকাল থেকেই তমলুকে এই নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সকাল থেকে দফায় দফায় তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ করেছে বিজেপি। পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ।
এবার আর বামেদের তেমন ময়দানে দেখা যায়নি। তমলুকের খারুই গঠরাতে সমবায় সমিতির নির্বাচনে আর দেখা যায়নি বাম-বিজেপি জোট। বরং তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়েছিল বিজেপি। খারই-গঠরা সমবায় সমিতির নির্বাচনে ৪৩টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই প্রার্থী দিয়েছিল বাম-তৃণমূল -বিজেপি। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রের সামনে টানটান উত্তেজনা শুরু হয়।
প্রথমেই পুলিশ ভোট কেন্দ্রের সামনে থাকা জমায়েত করা ব্যক্তিদের সরিয়ে দেয়। এরপর দুই পক্ষ অর্থাৎ তৃণমূল ও প্রগতিশীল জোটের মধ্যে বচসা বাঁধে।বচসা থেকে শুরু হয় হাতাহাতি।এরপর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ।দুই পক্ষের উপরেই চলে লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষকে ওই ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।। বিজেপির অভিযোগ তাদের ভোটারদের ভোটদানে বাধা দান করা হচ্ছিল। সেই থেকেই বচসা বাঁধে শাসকদলের সাথে। এরপর তৃণমূল কর্মীরা এসে তাদের ওপর মারধর করে ও তাদের পোস্টার ও ছিড়ে দেয় বলে অভিযোগ। বাইরে থেকে লোক এনে এই ধরনের অশান্তি সৃষ্টি করছে তৃণমূল। অভিযোগ বিজেপির। শেষ মুহুর্তের ভোট দান পর্ব চলছে ভোট কেন্দ্র ঘিরে এখনো উত্তেজনা চরমে, তমলুক থানার প্রচুর পুলিশ, ব়্যাফ, মোতায়েন রয়েছে।
গতকালই পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সভা করেছেন অভিযেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ করেছেন তিনি। তারপরের দিনই পদত্যাগ করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান। কেন কাজ করেননি এই নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মরিশদার পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। তারপরেই তিনি পদত্যাগ করেন।যদি বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলেছেন পঞ্চায়েত ভোটের আগে ইমেজ রক্ষার চেষ্টা করছে শাসকদল।












Click it and Unblock the Notifications