জমি কেনাবেচায় লাগবে অনুমতি! ফতোয়া জারি তমলুকের গ্রামে
জমি কেনাবেচায় নিতে হবে গ্রাম কমিটির অনুমতি। 'অসাংবিধানিক' ফতেয়া জারি তমলুকের কাঁকটিয়া গ্রামে। এই নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের কাঁকটিয়া গ্রাম। গ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক অসাংবিধানিক ব্যানার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে গ্রামজুড়ে।

গ্রামের বেশ কিছু জায়গায় এই ধরনের ব্যানার লাগানো হয়েছে। তাতে লেখা রয়েছে, কাঁকটিয়া গ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে যে কাঁকটিয়া গ্রাম কমিটিকে না জানিয়ে গ্রাম এলাকার কোনও জায়গা জমি কেনাবেচা করা যাবে না।
গত রবিরার সকাল থেকে কাঁকটিয়া দূর্গা মণ্ডপ এলাকায় এই ধরনের বেশ কিছু ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যানার ঘিরে ইতি মধ্যেই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। শাষক দল তৃণমূলের দাবি, বর্তমানে এই ওই গ্রাম শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক এবং কাখরদা ১ নম্বর অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। গত পঞ্চায়েত ভোটে এই ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে।
বিজেপির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরই এই ধরনের অংবিধানিক ব্যানার লাগানো হয়েছে। এই সব তৃণমূলের আমলে হত না। যদিও এই ব্যানার বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলতে চাননি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
তবে কমিটির সদস্যদের মৌখিক দাবি, ওই গ্রামে একাধিক ক্ষেত্রে জমি কেনাবেচা হয়েছে। পাশে থাকা চাষযোগ্য জমিগুলিতে চাষের ক্ষেত্রে ব্যাপক অসুবিধা তৈরি হয়েছে। সেই অসুবিধা দূর করতেই এই ধরনের ফতেয়া জারি করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে।
কীভাবে একটি গ্রাম কমিটি এভাবে ব্যানার লাগিয়ে ফতেয়া জারি করতে পারে? এর আগে রাজ্যের একাধিক জেলায় গ্রাম কমিটির সালিশি সভা থেকে নানান বির্তক প্রকাশ্যে এসেছে। যার ফলে সরকারি ভাবে গ্রাম্য সালিশি সভা বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারপরও কীভাবে তমলুকের কাঁকটিয়া গ্রামে এই ধরনের ব্যানার লাগিয়ে ফতেয়া জারি করতে পারে গ্রাম কমিটির সদস্যরা? এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে তমলুক জুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications