Suvendu Adhikari: ডায়মন্ড হারবারে ভোট হলে তৃতীয় হবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জিতবে বিজেপি, দাবি শুভেন্দুর
নেতাই থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ঘুষের টাকা বিলি করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের লোকসভা কেন্দ্রে ভাতার নামে টাকা ছড়াচ্ছেন অভিষেক। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি নির্দিষ্ট জায়গায় এই বিষয়ে অভিযোগ জানাবেন। পরিষ্কার জানালেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুধু তাই নয়, ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে এবার ভোট হোক। তাহলে বিজেপি প্রার্থী সেখানে জয়ী হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর জিততে পারবেন না। পরিষ্কার এই কথা দাবি করলেন বিজেপি বিধায়ক। দুর্নীতির টাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকায় ছড়াচ্ছেন। এই বক্তব্য উঠে এসেছে তার কথাতে।

ডিওয়াইএফআই - এর ব্রিগেড সমাবেশকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'চোর' বলে কটাক্ষ করছেন। এদিকে সীতারাম ইয়েচুরি তাদের সঙ্গেই চা খাচ্ছেন। এভাবে ফিরে আসা সম্ভব নয়। পরিষ্কার দাবি করলেন শুভেন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।
গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ডায়মন্ড হারবারে ভোট হলে দুধ ও জল আলাদা হয়ে যাবে। আইএসএফ- এর নওশাদ সিদ্দিকী ভোটে দাঁড়ালে বিজেপির সঙ্গে তাদের লড়াই হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটে এবার হারতে হবে। শুধু তাই নয়, ফল প্রকাশের নিরিখে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে অভিষেক তৃতীয় স্থানে থাকবেন। এখনই এই দাবি করছেন শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যে পরিবার কেন্দ্রিক পার্টি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চার কোটি টাকা দিয়ে জমি কিনেছেন। ২ কোটি টাকা দিয়ে বাড়ি বানিয়েছেন। সেই বাড়িতে তার নিজের পরিবারের সদস্যরা থাকছেন। তারা লিপস এন্ড বাউন্ডস কোম্পানির এক একজন ডিরেক্টর। সব ঘটনা সামনে আসবে আগামী দিনে। দাবি করেছেন শুভেন্দু।
নেতাইতে তিনি কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য রাখেননি। একজন দলীয় নেতাকে নিয়ে তিনি শহিদ বেদিতে মাল্যদানের জন্য গিয়েছিলেন। লালগড়ে তারপর তিনি পৌঁছান। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর লালগড় থেকে মোমবাতি মিছিল করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
নেতাই গ্রামে শহিদ বেদি গঙ্গাজল দিয়ে ধুলেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর শহিদদের উদ্দেশ্যে মাল্যদান করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে নেতাই গ্রামে রবিবার সন্ধ্যায় পৌঁছেছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
প্রতি বছর তিনি নেতাই গণহত্যার দিনে নেতাই গ্রামে যান। শহিদ পরিবারদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। তাদের হাতে সাহায্য তুলে দেন। তৃণমূলে থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারী এই নেতাইয়ে এসে শ্রদ্ধা জানাতেন। দলবদল করার পরে তৃণমূলের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে শুভেন্দুকে। সে কারণেই এবার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন বিধায়ক।
সিপিএম জমানায় নেতাই গ্রামে গুলি চলেছিল। নয় জন মারা গিয়েছিলেন সেই ঘটনায়। নেতাই গণহত্যা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম এক কালো দিন। বিজেপিতে যাওয়ার পরে শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাই গ্রামেও ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। গতবারও এই দিনে তিনি বাধার মুখে পড়েছিলেন।
কলকাতা হাইকোর্ট তাকে নেতাই যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু একাধিক নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। সে কথা মেনেছেন শুভেন্দু। রবিবার বিকেলের পরে শুভেন্দু অধিকারী নেতাইতে পৌঁছান। গঙ্গাজল দিয়ে বেদি ধুয়ে দেন। নিজের রুমাল দিয়ে সেই শহিদ বেদি তিনি মোছেন। তারপর ধূপকাঠি, মোমবাতি, জ্বালান। ফুলমালা দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।












Click it and Unblock the Notifications