Mamata vs Suvendu: তমলুকে মমতার মুখে নন্দীগ্রামের ফল! শুভেন্দুকে ত্রিফলায় বিঁধে আনলেন গুরুতর অভিযোগ
Mamata vs Suvendu: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর বলে বিভিন্ন সময় আক্রমণ করছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ তমলুকে দাঁড়িয়ে তার পাল্টা পকেটমার অস্ত্র ছুড়লেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় স্বাভাবিকভাবেই দেখা যায়নি অধিকারী পরিবারের দুই তৃণমূল সাংসদকে। যদিও সেই সভামঞ্চ থেকেই শুভেন্দু ও অধিকারী পরিবারকে নিশানা মমতার।

শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে কাঁথি ও তমলুক আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে ছিনিয়ে বিজেপির হাতে তুলে দেবেন। ইতিমধ্যেই কাঁথিতে সৌমেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। উল্টোদিকে, জেলা তৃণমূলের অগোছালো ভাব কাটাতে উন্নয়নের খতিয়ানই কর্মীদের চাঙ্গা করতে মমতার হাতিয়ার।
মমতা এদিন বলেন, দিঘা-তমলুক-সহ এই জেলার নানা প্রকল্প তিনি রেলমন্ত্রী থাকাকালীনই হয়েছে। এখন ফিতে কেটে যাঁরা বিজেপি করেছে বলে দাবি করছেন তাঁরা ফাইল নেড়েচেড়ে দেখুন, তাহলেই সত্যিটা জানতে পারবেন। নন্দীগ্রাম ও হলদিয়ার মধ্যে সেতু তৈরির আশ্বাস দিয়েও তিনি জেলাবাসীর মন জয়ের চেষ্টা চালালেন।
মমতা বলেন, নন্দীগ্রামের কেসটা এখনও বিচারাধীন আছে। প্রায় আড়াই বছর হয়ে গেল কোর্টে কেস পড়ে আছে। কী হয়েছে না হয়েছে উত্তর মানুষ একদিন দেবেই। জোর করে, গায়ের জোরে, মানুষ খুন করে, লুঠ করে টাকার জোরে নিজে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে গদ্দারবাবু। আর অন্যদের বলছে চোর! চোরের মায়ের বড় গলা।
এরপরই চোরের পাল্টা পকেটমার বলে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করেন মমতা। তিনি বলেন, বাসে, ট্রেনে পকেটমারি দেখেছেন? পকেটমারই পকেটমার, পকেটমার বলে চিৎকার করে। সকলে উঠে দাঁড়ালে পকেটমার পালিয়ে যায়। স্কুল এডুকেশনে সেই পকেটমারি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর ভুলে যাবে না কার বিনিময়ে চাকরি হয়েছিল।
উল্লেখ্য, যোগ্য হয়েও বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের সিংহভাগ অংশ তমলুকের। সেখানে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন বলে জল্পনা চলছে। ফলে তমলুকেই সেই প্রসঙ্গ তুলে আনলেন মমতা। বলেন, সব খবর আমি রাখি। কিন্তু কারও চাকরি যেতে দেব না। আজ মাথাকে টাচ করছি না বলে ভাববেন না কোনওদিন করব না।
মমতার কথায়, আমি চাই না ছেলে-মেয়েদের চাকরি যাক। আমি চাকরি দিই, কারও চাকরি যেতে দেব না। আমাদের দলে থেকে যে জীবনে সবচেয়ে বেশি কিছু পেয়েছে, এত খেয়েছে যে ভাবতে পারি না। প্যাঁচে পড়ে লঙ্কাকাণ্ডের মতো আগুন লাগিয়ে গরিব ছেলে-মেয়েদের চাকরি খেয়েছে। আমি সাধুদের সম্মান জানাই। কিন্তু সাধুগিরির মোড়কে অসাধু কাজ আমি বের করবই।
বোঝাই যাচ্ছে, নাম না করলেও মমতার নিশানায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতাই। শুভেন্দুর নাম জড়িয়েছিল মহিষাদলের বর্তমান বিধায়ক তিলক চক্রবর্তীর ভাইয়ের রহস্যজনক খুনের মামলায়। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। মমতা এদিন তিলককে ডেকে নেন। বলেন, "তিলক আজও বলল, দিদি ভাইকে মেরে ফেলল, আদালতে মামলা করলাম। কিন্তু বিচার পেলাম না।" তিলকের পিঠে হাত রেখে মমতা বলেন, "ভ্রাতৃবধূকে বলো ঈশ্বর-আল্লা থাকলে একদিন বিচার নিশ্চিতভাবেই হবে।"












Click it and Unblock the Notifications