লাঠি, শাবল হাতে দিলীপ ঘোষের বাড়ি ঘেরাও কুর্মি সমাজের! পাল্টা চ্যালেঞ্জ সাংসদের
কুর্মি সমাজের বিক্ষোভে উত্তাল খড়গপুর! গেট ভেঙে দিলীপ ঘোষের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা কুড়মি সমাজের বিক্ষোভকারীদের। যদিও এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি।
অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে নবান্নে কুর্মি সমাজের নেতারা। গত কয়েকদিন আগে কুড়মি সমাজের মানুষকে নিয়ে বিতর্কিত একটি মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। যা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল জঙ্গলমহল। দিলীপ ঘোষ ক্ষমা না চাইলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় এই আদিবাসী সমাজের তরফে।

শুধু তাই নয়, আজ বুধবার দিলীপ ঘোষের বাড়ি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সেই মতো কয়েক হাজার কুর্মি সমাজের মানুষ বুধবার দিলীপ ঘোষের বাড়ি ঘেরাও করে। শুধু তাই নয়, গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকারও চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, দিলীপ ঘোষ ক্ষমা না চাইলে আন্দলন আরও বৃহত্তর হবে। এমনকি জঙ্গলমহলের একাধিক থানাতে দিলীপ ঘোষের নামে অভিযোগ দায়ের করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি। সম্পূর্ণ ভাবে বিজেপি সাংসদকে বয়কটের হুঁশিয়ারি। এই মুহূর্তে দিলীপ ঘোষের বাড়ির সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।
ঘটনাস্থলে এই মুহূর্তে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়িতে না থাকলেও সম্ভবত আজ বুধবারই কলকাতায় ফেরার কথা আছে দিলীপ ঘোষের। ফলে তিনি আসলে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা রয়ে যাচ্ছে। এদিন একেবারে লাঠি, শাবল হাতে দিলীপ ঘোষের খড়্গপুরের বাংলো বাড়ি ঘেরাও করেছেন কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিরা।

তবে এই ঘেরাও নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের দাবি, কুর্মিদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। তৃণমূল লোক সাজিয়ে নিয়ে এসেছে। পুরো বিক্ষোভ পরিকল্পিত বলেও দাবি করেছেন তিনি। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের দাবি, সাজিয়ে লোক আনা হয়েছে। কুর্মিদের কেউ সেখানে নেই বলেও দাবি। শুধু তাই নয়, বিক্ষোভ ভয় পাই না বলেও মন্তব্য সাংসদের।
অন্যদিকে কুর্মি সমাজের একাংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে নবান্নে গিয়েছেন। স্থানীয় বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতোর নেতৃত্বে ১২ জনের একটি প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠকে রয়েছেন। মাঝে মধ্যেই একাধিক ইস্য্যুকে সামনে রেখে অবরোধ করেন সমাজের মানুষেরা। সেই সমস্ত সমস্যা শুনতেই এদিনের এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে দিলীপ ঘোষ বলেন, আমি কুর্মি সমাজের মানুষকে চাল-ডাল দিয়ে সাহায্য করেছি। যদিও তা অস্বীকার করা হয়। পালটা দিলীপ ঘোষ মিথ্যা কথা না বলার হুঁশিয়ারি দেন। এমনকি পিছনে লাগতে আসলে জামা-কাপড় খুলে দেবেন বলেও মন্তব্য করেন। আর তা নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত।












Click it and Unblock the Notifications