কাঁথির আয়ুর্বেদ কলেজে হাড়হিম করা ঘটনা, কী ঘটেছে ছাত্রীর সঙ্গে!
আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার স্মৃতি এখনও দগদগে। রাজ্যের হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। আরও দাবি রয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের। তবে তার মধ্যেই ঘটে গেল আরও এক ভয়ানক ঘটনা। এবার কাঁথির আয়ুর্বেদ কলেজের নির্মীয়মান বিল্ডিং।
আরজি কর ঘটনার আবহে কাঁথিতে আয়ুর্বেদ মহাবিদ্যালয় ও হসপিটালের নির্মীয়মান ভবনে হাড়হিম করা ঘটনা। তিন তলা থেকে প্রথম বর্ষের ছাত্রী রহস্যজনকভাবে নীচে পড়ে গেল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কলেজ ক্যাম্পাসে।

কাঁথির বেসরকারি রঘুনাথ আয়ুর্বেদ মহাবিদ্যালয় ও হসপিটালের হস্টেলের নির্মীয়মান বিল্ডিং। তার তিন তলা থেকে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর নীচে পড়ে যাওয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কলেজ ক্যাম্পাসে। নীচে পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে ছুটে আসে অন্যান্য ছাত্রীরা।
পরে আহত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কাঁথি দারুয়া মহাকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতা বেলেঘাটার মনিপাল হাসপাতালে। প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রীর নাম সমন্বীতা দত্ত৷ কলকাতার কসবা এলাকায় তার বাড়ি।
আয়ুর্বেদ কলেজ সেবক সংঘের সম্পাদক সুকমল মাইতি জানান, কীভাবে ওই ছাত্রী নীচে পড়ে গিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তার বান্ধবীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল সে। হস্টেলের উপরের তলায় তালা লাগানো থাকে। তারপরেও কীভাবে ওই ছাত্রী তিন তলায় উঠল? সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সহপাঠীরা এই বিষয়ে কিছু বলতে চায়নি। কলেজ ক্যাম্পাসে থাকা নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিল না। তার বান্ধবীদের কাছ থেকে জানতে পারা গিয়েছে, প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী ঘটনার সময় (প্রায় রাত দশটা নাগাদ) মোবাইলে কথা বলছিল।
কলেজের সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নির্মীয়মান হস্টেলের ছাদে উঠল ওই ছাত্রী? তাই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ওই ছাত্রী অনিচ্ছাকৃতভাবে নীচে পড়েছে? না কি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? খতিয়ে দেখছে কাঁথি থানার পুলিশ।
ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাইছিলেন না ছাত্রীরা। কয়েক জন ছাত্রীর অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। বারবার জানানোর পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এই ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।












Click it and Unblock the Notifications