Shankarpur-Tajpur: সামনেই কোটাল, না খেয়ে এবার মরব তো! ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে শঙ্করপুর-তাজপুর
Shankarpur-Tajpur: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শঙ্করপুরে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন উপকূল এলাকার বাসিন্দারা। কেউ বা ফেলছেন চোখের জল আবার কেউবা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। পূর্ণিমার কোটালে গত দুদিন ধরে শংকরপুর , তাজপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় একের পর এক সমুদ্রের পাড় ভেঙে গিয়েছে। যার জেরে তীব্র আতঙ্কে এলাকার মানুষজন।
সেই সঙ্গে প্রায় কুড়ি থেকে ২৫ টি দোকান কার্যত সমুদ্রে তলিয়ে গিয়েছে। কার্যত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সেখানে। এই অবস্থায় স্থানীয় দোকানদার থেকে মানুষজন একেবারে অসহায় ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে প্রশাসন এসে সুরাহা করুক। তা নাহলে তাদের না খেয়ে মরতে হবে।

একদিকে যখন ঢাকঢোল পিটিয়ে একুশের সভা হচ্ছে তেমনি শঙ্করপুর এবং জলধা এলাকার স্থানীয় মানুষজন চোখের জল ফেলছেন। সেই সঙ্গে একের পর এক যেমন পাড় ভাঙছে তেমনি বেশ কয়েকটি দোকান এমনকি গ্রামেও সমুদ্রের জল ঢুকেছে।
পূর্ণিমার কোটাল থাকায় কার্যত উত্তাল হয়েছে দীঘার সমুদ্র। আর সেই উত্তালের জেরে বেশ কিছু ঝাউ গাছ এবং সমুদ্রের পাড় প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকায় পরিদর্শনে আছেন তালগাছারী দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সবিতা খাটুয়া এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিরা, প্রধান এসে এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। প্রধান সবিতা খাটুয়া বলেন, আমি বারবার রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছি এই বিষয়ে। অবিলম্বে এই এলাকার মানুষদের সুরাহা যদি না হয় পরবর্তীকালে অনশনেও নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার প্রায় তিন কিলোমিটার ধরে কোন কংক্রিটের বাঁধ নেই। ফলে একের পর এক এক জায়গায় পাড় ভেঙে যাচ্ছে। যার ফলে একেবারে জনজীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। সবিতাদেবীর আশঙ্কা, সামনে রয়েছে সাড়াসাড়ি কোটাল এবং সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস। আইলার সময় এই এলাকার প্রায় কয়েক কিলোমিটার সমুদ্রের জল ঢুকে গেছিল। ফের একই ঘটনা ঘটবে না তো? ফলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই এলাকার কোন কিছু স্থায়ী বাঁধ গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।
সেই সঙ্গে স্থানীয় রামনগর এক ব্লকের বিভিও পূজা দেবনাথ এলাকার পরিদর্শনে আসবেন বলে জানিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সেচ দপ্তরের সঙ্গে কথাও বলেছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই এলাকার অস্থায়ীভাবে কোন বাঁধ তৈরি করা যায় কিনা তার চিন্তা ভাবনা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
সেইসঙ্গে তিনি আরো বলেন যেহেতু সামনে বৃষ্টি কাল তাই অস্থায়ীভাবে বালির বস্তা বা কিছু পাথর ফেলে যাতে মানুষদের বা মানুষের সম্পদ রক্ষা করা যায় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications