মেয়ে ছিলেন পঞ্চায়েত সদস্য, ভানু বাগের তৃণমূল যোগ নিয়ে বিস্ফোরক এগরাবাসী
Egra Blast: প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা (Egra)। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আস্ত বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান।
গোটা এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এমনকী স্থানীয় পুকুরের জল ছেঁচে মৃতদেহ খোঁজার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগের। প্রবল বিস্ফোরণের পর থেকেই তাঁর খোঁজ নেই। ইতিমধ্যে কৃষ্ণপদর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

এলাকার মানুষের অভিযোগ, অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ স্থানীয় তৃণমূলের সক্রিয় সদস্য। প্রভাব খাটিয়ে তিনি নাকি দিনের পর দিন বেআইনিভাবেই এই বাজি কারখানা চালাতেন বলেও দাবি স্থানীয় মানুষের। এমনকী তাঁর কারখানায় যেতে সুন্দর রাস্তাও করে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি স্থানীয় মানুষজনের।
নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যোগ নেই বলেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী অভিযুক্ত তৃণমূলের কেউ নয় বলেও দাবি তাঁর। মমতা বলেন, যদি ইনি তৃণমূলের লোক হতেন তাহলে রাজ্য পুলিশ কেন তাঁকে গ্রেফতার করেছিল।

এমনকী সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত নেই বলেও মন্তব্য করেন প্রশাসনিক প্রধান। অন্যদিকে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ভানুকে দুবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। বেআইনি বাজি কারখানা চালানোর জন্যেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। যদিও জামিনে তিনি মুক্ত হয়ে যান বলে দাবি পুলিশ সুপারের। এমনকী পুলিশের তরফে ওই বাজি কারখানায় একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়েছে বলেও দাবি।
কিন্তু এরপরেও দিনের পর দিন চলত ওই বাজি কারখানা! স্থানীয় মানুষের দাবি, স্থানীয় পঞ্চায়েতে যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে ভানুর। পুলিশের একাংশের সঙ্গেও যথেষ্ট ঘনিষ্ঠতার কথা শোনা যায়। শুধু ভানু নয়, পরিবারের সঙ্গেও তৃণমূলের যোগ রয়েছে বলে খবর। কৃষ্ণপদ বাগের মেয়ে তৃণমূল পঞ্চায়েতের সদস্য ছিলেন।

যদিও ২০১৮ সালের ভোটে হেরে যান তিনি। সাহাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্দল হয়ে একাধিকবার জয় পেয়েছিলেন ভানু। শুধু তাই নয়, বুথ সভাপতি হিসেবেও দিনের পর দিন কাজ করেছেন ভানু। এলাকায় যথেষ্ট নাম-ডাক আছে তাঁর। তবে পুলিশের তল্লাশি প্রসঙ্গে স্থানীয় মানুষের দাবি, তল্লাশি নয়, বরং হপ্তা নিতে আসত।
তবে এই কারখানয় বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। এমনকী বিস্ফোরণে ভানু তাঁর দুই ভাইকেও হারান। কিন্তু ব্যবসা বন্ধ করেননি তিনি। দিনের পর দিন তা চলেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় মানুষজনের।












Click it and Unblock the Notifications