এগরায় ক্ষোভের মুখে মানস ভুঁইয়া-দোলা সেনরা! 'চোর চোর' বলে তীব্র বিক্ষোভ এলাকার মানুষের
ফুঁসতে থাকা এগরাতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রতিনিধি দল! মঙ্গলবার দুপুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক মৃতু হয়েছে ৯ জনের। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকা ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে। আর এর মধ্যেই আজ বুধবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল
মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, সাংসদ দোলা সেনের নেতৃত্বে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে পৌঁছন। আর সেখানে জেতেই এলাকার মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় নেতৃত্বকে। এমনকি তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগানও দিতে থাকেন এলাকার মানুষজন। যা নিয়ে তিব্র উত্তেজনার একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়। দ্রুত ঘটনাস্থল ছাড়েন মানস ভুঁইয়ারা। যা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে যান স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

এই বিক্ষোভ প্রসঙ্গে দোলা সেনের দাবি, এটা একটা নোংরা রাজনীতি। কিছু মানুষ এই কাজ করছেন। তবে আমরা মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা তাদের পরিবারকে দেখার কথা বলেন। দিদির উপর ভরসা রাখার আবেদনও রেখেছেন বলেও দাবি দোলা সেনের।
অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, দীর্ঘ রাজনীতিতে বহু বিক্ষোভ দেখেছি। এখানে রাম-বাম একসঙ্গে ইচ্ছাকৃত ভাবে করছে বলে অভিযোগ রাজ্যের মন্ত্রীর। পাশাপাশি চোর চোর শ্লোগান প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, যে যা বলছে বলুক! এই সব বলে কোনও লাভ নেই। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বিক্ষোভের মুখে পড়ে শেষমেশ দ্রুত এলাকা ছাড়তে হয় তৃণমূল নেতৃত্বকে।

তবে এর আগে সাংবাদিকদের মুখমুখি হয়ে মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন, ঘটনায় কড়া রাজ্য-প্রশাসন। দোষী কাউকে ছাড়া হবে না। তবে মানুষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন রাজ্যের মন্ত্রী। এমনকি কোনও রকম প্রলোভনে পা নেওয়ার আবেদনও করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন মানস ভুঁইয়া। কিভাবে এই ঘটনা তা পুরো বিষয় জানার চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে সকালেই ঘটনাস্থলে যান শুভেন্দু অধিকারী। গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখান থেকেই পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ দেওয়ার দাবি তোলেন তিনি। এমনকি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই বিরোধী দলনেতার হুশিয়ারি, 'এর হিসেব হবে, কেউ ছাড়া পাবেন না'












Click it and Unblock the Notifications