Cyclone Mocha: এ যেন অচেনা দিঘা, মোখা আতঙ্কে খাঁ খাঁ করছে সৈকত শহর
ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসছে। খবর জানার পর থেকেই আতঙ্ক গ্রাস করেছে রাজ্যবাসীকে। ভয়ে কেউ আর সমুদ্র সৈকতে যেতে চাইছেন না। যেখানে শনি-রবিবার উপচে পড়া ভিড় থাকে সমুদ্র সৈকতের জায়গা গুলিতে। দিঘা-মন্দারমনি-শঙ্করপুর-বকখালিতে যেখানে হোটেলে জায়গা পাওয়া যায় না।
সেই সব সৈকত পর্যটন কেন্দ্রগুলি যেন খাঁ খাঁ করছে। কোথাও কোনও পর্যটকের দেখা নেই। একেবারে শুনশান নগরি। হোটেল-রেস্তরাঁয় বসে মাছি মারছেন দোকানিরা। এমনই কঠিন পরিস্থিতি। হটাৎ করে এমন কেন দশা। প্রশ্ন করতেই সকলে বলে উঠলেন মোখা আসছে।

অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্ক থাবা বসিয়েছে পর্যটনে। নইলে সপ্তাহান্তের ছুটিতে এমন দশা হয় না দিঘার। মোখা আসছে জেনে অনেকেই আবার বুকিং বাতিল করে দিয়েছেন। কারন গত কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়েৈর অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। সকলেই জানেন আম্ফানে কেমন তাঁণ্ডব চলেছিল দিঘায়। লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল গোটা শহর।
বহু হোটেল রেস্তোরাঁ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেকারমে এবার আগে থেকেই সতর্ক পর্যটকরা। আর ঝুঁকি নিতে চাননি তাঁরা। যদিও মোখার গতিবিধি কোন দিকে থাকবে এখনও নিশ্চিত করে জানতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা। আজ থেকে বঙ্গোপসাগরে সেটি ঘনীভূত হতে শুরু করেছে।

আন্দামান নিকোবরে আজ থেকেই বাড়বে বর্ষণ। সেকারণে মৎস্যজীবীদের আজ থেকেই সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আগামী মঙ্গলবার হয়তো ঘূর্ণিঝড় মোখার গতিবিধি সুনির্দিষ্ট করে বোঝা সম্ভব হবে। আন্দামানে যে সবার আগে প্রভাব পড়তে শুরু করে দিয়েছে তার। তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ১০০ কিলোমিটার বেগে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র।
যদিও রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলা গুলিতে এখনও কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তবে প্রশাসন সুন্দরবনের বাঁধগুলির পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর করতে শুরু করে দিয়েছে। কারণ বাংলাদেশে যদি ল্যান্ডফল করে মোখা তাহলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং সুন্দরবনে তার প্রবাব পড়বে। এদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তি এলাকা গুলিতেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications