Cyclone Midhili: এগিয়ে আসছে মিধিলি, রূপ বদল দিঘার সমুদ্রের, কী কী সতর্কতা নেওয়া হল, দেখুন
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। দিঘা শঙ্করপুর সমুদ্র উপকূল সম্পূর্ণ ফাঁকা। প্রশাসনের তরফ থেকেও চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রচার চলছে চারদিকে। সমুদ্র ক্রমশ উত্তাল হচ্ছে। কোনও সাধারণ মানুষ, পর্যটক যাতে সমুদ্রে নামতে না পারে, সেজন্য নজরদারি রয়েছে উপকূলে। সমুদ্রে ঢেউয়ের উচ্চতা বাড়ছে।
সমুদ্র এলাকায় আকাশের রূপ ক্রমে বদল হচ্ছে। রীতিমতো আঁধার নেমে আসছে যেন। বঙ্গোপসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিয়েছে সেটি। নাম দেওয়া হয়েছে মিধিলি। আর সেজন্যই আতঙ্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে মিধিলি বাংলাদেশ উপকূলের দিকে যাবে। ক্রমে উত্তাল হচ্ছে সমুদ্র।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে বাংলাদেশে সেটির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্বাভাস বাংলার উপকূলীয় এলাকায় দেওয়া হয়নি। তবে ঝোড়ো হাওয়া চলছে দিঘা, মন্দারমণি এলাকায়। বৃহস্পতিবার থেকেই সমুদ্রের রূপ বদলাতে শুরু করেছে। শুক্রবার সকাল থেকে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া চলছে।
শুনশান রয়েছে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা। দিঘা, মন্দারমণি, শঙ্করপুর, তাজপুরের সমুদ্রে নামা বারণ। সেজন্য প্রচার চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার পর্যটকরা স্নান করেছিলেন। শুক্রবার ও শনিবার জলের কাছেও যাওয়া নিষেধ। বিচ এলাকাও শুক্রবার অনেকটাই ফাঁকা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি রয়েছে। নুলিয়াদেরও সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। শনিবারের পরে আবহাওয়া বদল হওয়ার কথা। তারপরই পর্যটকরা সমুদ্রে নামতে পারবেন। এই কথা জানানো হয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়াও নিষেধ করা হয়েছে।
সমস্ত মৎস্যজীবীরাই উপকূলে ফিরে এসেছেন। এমনই জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফ থেকে। প্রশাসন না জানালে কেউ মাছ ধরতে যাবেন না। মাইকিং চলছে উপকূলীয় এলাকায়। ঘূর্ণিঝড়টি দিঘা সমুদ্র উপকূলের থেকে শুক্রবার ভোরে ২০০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ - পূর্বে অবস্থান করছে।
বাংলার উপকূলীয় এলাকায় মিধিলির প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা তেমন একটা নেই। তবে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ক্রমশ বাড়বে। হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications