নন্দীগ্রামে মমতাকে জেতানোর জন্যই মীনাক্ষীকে প্রার্থী করে সিপিএম, দাবি শুভেন্দুর
নন্দীগ্রামে হিন্দু ভোট কাটার জন্যই মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতানো ও শুভেন্দু অধিকারীকে হারানোই উদ্দেশ্য ছিল সিপিএমের। এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেডের সভার পর থেকে রাজনৈতিক পারদ বাড়ছে। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মঞ্চ থেকে বিজেপি ও তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন একসঙ্গেই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও সিপিএমকে আক্রমণের ঝাঁঝ কয়েক গুণ বাড়িয়েছেন।

এদিন কলকাতাতেই শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচি ছিল৷ বিকেলে গড়িয়া মোড় থেকে যাদবপুরের সুলেখা পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন রাজের বিরোধী দলনেতা। রাজ্যে একাধিক দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার শাসক দল তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে মিছিল থেকে।
শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, " সিপিএম আমাকে হারিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতানোর জন্য বলির পাঁঠা করেছিল মীনাক্ষীকে। আমার হিন্দু ভোট যাতে মীনাক্ষী কাটতে পারেন, তার জন্য তাঁকে নন্দীগ্রামে পাঠিয়েছিলেন সিপিএমের ওই নেতাগুলো।"
শুভেন্দু ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়েছেন, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তমলুকে তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন সিপিএমের ইব্রাহিম আলি। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন সিপিআইয়ের কবীর মহম্মদ। নন্দীগ্রামে এবার হিন্দু ভোট কাটার জন্যই মীনাক্ষীকে প্রার্থী করা হয়েছিল।
এদিন দুপুরে মিছিলের আগে বাবুঘাটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। ভারতীয় ও হিন্দুত্ব আগামীর পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ। বাবুঘাটের গঙ্গাসাগর মেলায় গিয়ে রামমন্দিরের প্রচার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবারে হিন্দুদের মধ্যে আলাদা উত্তেজনা আছে। ৫০০ বছরের সংগ্রাম শেষ হল। অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে এই মাসেই৷ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার দুপুরে বাবুঘাটের গঙ্গাসাগর মেলায় আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ক্যাম্পে তিনি যান। কিছু সেবাদান করেন তিনি। বঙ্গীয় হিন্দু সেনার একটি ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। আরতি করেন শুভেন্দু।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বাঙালি অবাঙালি বিভেদ নেই। ভারতীয় ও হিন্দুত্ব আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ। কেউ কেউ জাতপাতের নামে, বাঙালি অবাঙালিদের নামে হিন্দুদের বিভাজন করতে চান। বাংলার হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন। সেই কারণে, এই রাজ্যে এখন রামনবমীতে এক হাজার মিছিল হয়েছে। এই রাজ্যেও গণেশ পুজো হচ্ছে।
বিগ্রেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু। মানুষ সেদিন ব্রিগেডে গিয়েছিল। তাদের জন্য কোনও বাস, গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়নি। ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ ব্রিগেডে গীতাপাঠে সামিল হয়েছিলেন। ফের তিনি দাবি করেন।












Click it and Unblock the Notifications