কাঁথির জুনপুটে DRDOপ্রকল্পে বাধা! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ,কেন রাজ্যে ৩৫৫/৩৫৬ নয় প্রশ্ন শঙ্কুদেবের
পশ্চিমবঙ্গে তাদের প্রকল্প থেকে পিছিয়ে গিয়েছে ডিআরডিও। কাঁথির জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বাস্তবায়নের কাজ সুরু করে ডিআরডিও। কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক বাধায় তারা সেই প্রকল্প থেকে পিছিয়ে গিয়েছে বলে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা।
তিনি অভিযোগ করেছেন, কাঁথির তৃণমূল নেতা অমির সোহেল সেনার জমি দখল করে নিয়েছেন। জমি দখল নিয়ে তৃণমূল অবস্থান স্পষ্ট করুক বলেও দাবি করেছেন বিজেপি নেতা। জুনপুটে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিজ্ঞানীদের ভয় দেখানোর অভিযোগও তিনি করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, জুনপুটে যাতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ওই প্রকল্প না হয় তার জন্য বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা। এব্যাপারে এনআইএকে চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডিআরডিও রাজ্যের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরেও, এসডিও ডিআরডিওকে চিঠি লিখে ১১ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। সেখানে দেশের সুরক্ষা জড়িত, সেখানে রাজ্যে কেন ৩৫৫ কিংবা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হবে না, সেই প্রশ্ন করেছেন তিনি।
রাজ্যে যদি এই প্রকল্প চালু হত, তাহলে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা, ওড়িশার চাঁদিপুরের পাশাপাশি কাঁথির জুনপুটও জায়গা করে নিতে পারত বলে জানিয়েছেন শঙ্কুদেব পণ্ডা।
জানা গিয়েছে, হরিপুরের কাছে জুনপুট বিচে একটি লঞ্চপ্যাড-সহ ডিআরডিও রাজ্যের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপন কেন্দ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সূচিও তৈরি হয়ে গিয়েছিল।
জানা গিয়েছে, ১৭ -১৯ জুলাই ও ২৪-২৬ জুলাই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ট্রায়ালের জন্য সেখানে সমুদ্রে মাছ ধরার ওপরে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। সকাল সাড়ে নটা থেকে বিকেল সাড়ে পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধও করা হয় ডিআরডিও-র তরফে।
যে কারণে গত বৃহস্পতিবার জুনপুট ভূমিরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জুনপুটর মতো জনবহুল এলাকায় মিসাইল উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে কাঁথি ১ বিডিওর কাছে ডেপুটেশনও দেওয়া হয়। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের পক্ষ থেকেও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার কথা ঘোষণা করা হয়। মৎস্যজীবীদের অভিযোগ বারে বারে নিষেধাজ্ঞার জেরে তাদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications