যত কাণ্ড কি নন্দীগ্রামেই! ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে গিয়ে সিআইডির 'মুখোমুখি' সিবিআই
ভোটের আগে কার্যত হাইভোল্টেজ হয়ে উঠেছিল নন্দীগ্রাম। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে তাঁর একটা সময়ের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে হওয়া লড়াইয়ে রাজনৈতিক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল নন্দীগ্রাম। যদিও ভোটের ময়দা
ভোটের আগে কার্যত হাইভোল্টেজ হয়ে উঠেছিল নন্দীগ্রাম। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে তাঁর একটা সময়ের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে হওয়া লড়াইয়ে রাজনৈতিক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল নন্দীগ্রাম। যদিও ভোটের ময়দানে হার হয়েছেন নেত্রী মমতার।

শুভেন্দু অধিকারী জিতলেও রাজ্যে প্রবল সবুজ ঝোড়ে কার্যত কুপোকাত গেরুয়া। এই অবস্থায় রাজ্যজুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। আর সেই হিংসার আঁচ গিয়ে পড়ে অধিকারীদের খাস তালুক নন্দীগ্রামেও। বহু মানুষ এখনও নাকি সেখানে ঘর ছাড়া।
পরিস্থিতি এতটাই আয়ত্তের বাইরে চলে যায় খোদ রাজ্যপাল পর্যন্ত ছুটে যান নন্দীগ্রাম।
তবে ভোট প্রচারে গিয়ে সেখানে চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় থাকা রডে লেগে পা ভাঙে তাঁর। এই অবস্থায় গিত কয়েকদিন আগেও খুনের অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে খুন করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
আর সেই প্রসঙ্গ তুলতে ফের নতুন করে বিতর্ক। সবথেকে বড় ব্যাপার তাঁর মন্তব্যের পরেই নন্দীগ্রাম গেল সিআইডি-র গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে যান রাজ্যের তদন্তকারী আধিকারিকা। আবার এদিনই নন্দীগ্রামে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরাও। মূলত ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে নন্দীগ্রামে গিয়েছেন আধিকারিকরা।
নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের বহু এলাকা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন তদন্তকারীরা। একদিকে যখন সিবিআই তাঁদের কাজ চালাচ্ছেন অন্যদিকে তখন আরও একটি মামলাতে সেই অঞ্চলে সিআইডি। দুটি পৃথক তদন্ত করলেও একদিনে এপিসেন্টার নন্দীগ্রামে দুই তদন্তকারী সংস্থার পা রাখার মধ্যে অন্যরকম গন্ধ পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সিবিআই প্রতিনিধিরা নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের কেন্দামারি, গোকুলনগর, মহম্মদপুর, চিল্লগ্রাম এলাকা পরিদর্শন করেন। ভোটের ফল ঘোষণা হতেই উত্তপ্ত হয়ে অঠে এই সমস্ত এলাকা। একের পর এক জায়গাতে হামলার অভিযোগ ওঠে।
দিনের পর দিন ঘর ছাড়া অবস্থায় থাকতে হয় স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। এদিন সিবিআই প্রয়াত বিজেপি নেতা দেবব্রত মাইতির বাড়িতে যান আধিকারিকরা। কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। উল্লেখ্য, গত ৩ মে হামলার জেরে চিল্লগ্রামের বাসিন্দা দেবব্রত মাইতি গুরুতর জখম হন বলে অভিযোগ।
পরে তিনি মারা যান কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। অন্যদিকে বিরুলিয়াতে যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঘাতপ্রাপ্ত হন সেই সমস্ত জায়গা ঘুরে দেখেন সিআইডির আধিকারিকরা। কথা বলেন স্থানীয় মানুষজনের সঙে। কি ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা করেন।
উল্লেখ্য ক্ষমতায় ফিরলেই নন্দীগ্রামের ঘটনাতে সিআইডি তদন্তের নিরদশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications