করোনা পরিস্থিতিতে রক্ত সঙ্কট ও ইয়াস মোকাবিলায় সক্রিয় ক্লাবগুলিও
প্রতি বছরই গ্রীষ্মকালে রক্ত সঙ্কট দেখা দেয় বাংলার বিভিন্ন জেলায়। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের সঙ্কট মেটাতে রাজনৈতিক দলগুলি তো বটেই, বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগেও রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। কিন্তু গত বছরের পর এবারও গ্রীষ্মকালীন রক্ত সঙ্কট আরও চরমে পৌঁছেছে করোনা পরিস্থিতিতে। এই পরিস্থিতিতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ দেখা গেল পূর্ব মেদিনীপুরের অমৃতবেড়িয়ায়।

সঙ্কট তীব্রতর
করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই রক্ত দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কলকাতা বা শহরাঞ্চলে এই অবস্থা তুলনায় কিছুটা ভালো হলেও গ্রামের দিকে সমস্যা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। তারই মধ্যে আবার ধেয়ে আসছে সাইক্লোন ইয়াস। যা বুধবারই আছড়ে পড়ার কথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলারই কোনও অংশে। বুলবুল, আমফানের পর ইয়াস মোকাবিলায় প্রশাসনিক তৎপরতা থাকলেও অতীত অভিজ্ঞতা রীতিমতো আতঙ্কে রাখছে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষজনকে।

মানুষের পাশে
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় রূপনারায়ণ তীরবর্তী গ্রাম অমৃতবেড়িয়া। এখানকারই বিভিন্ন ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফের সঙ্কটকালে একে অপরের হাত মিলিয়েছে। একদিকে রক্ত সঙ্কট এবং অন্যদিকে ইয়াস পরিস্থিতি মোকাবিলায় গড়া হয়েছে ক্লাব সমন্বয় টিম। সাইক্লোনের আগে ও পরে মানুষের পাশে থেকে কাজ করবে এই যুবদল।

রক্তদান শিবির
রক্ত সঙ্কট মেটাতে আজ একটি বড় মাপের রক্তদান শিবিরও আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে প্রায় একশোজন রক্তদান করেন। রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী গৌরাঙ্গ কুইল্লা।

উদ্যোগী যুব-দল
সংগঠকরা জানিয়েছেন, ধারাবাহিকভাবে আগামী দিনেও এমন উদ্যোগ চালু থাকবে। রক্তদান শিবির আয়োজনের পাশাপাশি মুমূর্ষুদের জীবনরক্ষায় বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়েও রক্তদান করতে প্রস্তুত ক্লাব সমন্বয় টিমের সদস্যরা। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে প্রচুর গাছেরও ক্ষতি হবে। সে কারণে এদিন রক্তদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় লাল গোলাপ ও ফলের চারাগাছ। করোনা সচেতনতা বাড়াতে প্রদান করা হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার।












Click it and Unblock the Notifications