বিজেপি বনাম বিজেপি, জেলা সভাপতিকে পিস্তল দেখিয়ে মারধরের অভিযোগ শুভেন্দুর জেলায়
বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল বেড়েই চলেছে। জেলা নেতৃত্ব ততা রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে। এবার সেই সংঘাত গড়ার মারধর পর্যন্ত। অভিযোগ, জেলা সভাপতিকে পিস্তল দেখিয়ে মারধর করা হয়েছে।
বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল বেড়েই চলেছে। জেলা নেতৃত্ব ততা রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে। এবার সেই সংঘাত গড়ার মারধর পর্যন্ত। অভিযোগ, জেলা সভাপতিকে পিস্তল দেখিয়ে মারধর করা হয়েছে। না, কোনও তৃণমূল নেতা নয়, চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধেই। আর এই ঘটনা ঘটেছে খোদ শুভেন্দু অধিকারীর জেলায়।

পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। হুলুস্থূল বেধে যায় মেছোগ্রাম বাজারে। বিজেপির জেলা সভাপতির মাথায় পিস্তল ধরে মারধর করা হয়। মারধর করা হয় জেলা সাধারণ সম্পাদক জিমুতকান্তি মাইতি, জেলা সম্পাদক স্বাগতা মান্না, জেলা কোষাধ্যক্ষ জগদীশ প্রামাণিক-সহ জেলা বিজেপির একাংশের উপর অতর্কিতে হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগের তির জেলা বিজেপিরই একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, গত বিধানসভা নির্বাচনে পাঁশকুড়া পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি, জেলা যুব মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি ও ঘাটাল জেলা যুব মোর্চার অবজার্ভার প্রতীক পাখিরা-সহ বিজেপির একাংশ তাদের দলবল নিয়ে হামলা চালান। তাঁদের হাতে পিস্তল ছিল বলে অভিযোগ। পিস্তল ধরে তাঁরা ভয় দেখান। হুমকি দেওয়া হয়, মারধরও করা হয় বিজেপির জেলা সভাপতি ও অন্যান্যদের।
পূ্র্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক বৈঠক সেরে ফিরছিলেন বিজেপির তমলুক জেলা সংগঠনের সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য দলীয় নেতারা। তাঁরা মেছোগ্রামের একটি চা দোকানে নেমেছিলেন চা পানের জন্য। তখন অতর্কিতে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অতর্কিতে হামলা ও মারধরে জখম হন জেলা সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্যরা।
পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বিজেপিতে কোন্দল বাড়ছে। শুধু দলীয় কোন্দলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না সেই কোন্দল। তা হিংসার আকার নিচ্ছে। এদিন পূর্ব মেদিনীপুরে যে ঘটনা ঘটল, তার পর বিজেপির কোন্দল ও হিংসার ঘটনা পরিস্ফুট হয়ে গেল। এখন তারা শুধু তৃণমূলের ঘাড়ে সন্ত্রাস ও হামলার অভিযোগ তুলে ক্ষান্ত থাকতে পারবে না।
শুধু হিংসা ছড়ানোই নয়, এই কোন্দলের ফলে দলে ভাঙনও ধরছে। নীচুতলা থেকে শুরু করে ব্লক, জেলা এমনকী রাজ্যস্তরেও ভাঙন ধরছে। মুর্শিদাবাদে এদিনই রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারে ডাকা বৈঠকে গরহাজির থাকলেন দুই বিধায়ক। ফলে তাঁরা যে কোনও মুহূর্তে দল ছাড়তে পারেন, এমন জল্পনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে পঞ্চায়েত ও লোকসভার আগে বিজেপির রক্তক্ষরণ কিন্তু চলছেই।












Click it and Unblock the Notifications