নন্দীগ্রাম বিজেপিতে বিরাট ভাঙন! তিনবারের প্রার্থী পঞ্চায়েতের আগে যোগ দিলেন তৃণমূলে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে নন্দীগ্রাম বিজেপিতে ফের বিরাট ভাঙন ধরল। বিজেপির টিকিটে তিনবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী এতদিন পর দল ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। আর তৃণমূলে যোগ দিয়েই তিনি ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির বর্তমান বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিকে।

নন্দীগ্রাম বিধানসভা থেকে পরপর তিনবার বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন বিজন দাস। জিততে পারেনিনি। কিন্তু ২০০৯ সালের বিধানসভা উপনির্বাচন, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তিনি। তাঁকে হারিয়েই ফিরোজা বিবি ও শুভেন্দু অধিকারীরা নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক হয়েছিলেন।

নন্দীগ্রাম বিজেপিতে বিরাট ভাঙন! তিনবারের প্রার্থী তৃণমূলে

এহেন আদি বিজেপি নেতা পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দল ছেড়ে দিলেন। যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শুভেন্দু অনুগামীদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই তাঁর ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিজন দাস তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন। নন্দীগ্রাম ব্লক তৃমমূলের কার্যালয়ে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তাঁকে স্বাগত জানানো হয় তৃণমূল কংগ্রেসে।

তৃণমূলের তমলুকে সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান পীযুষকান্তি ভুঁইয়া, যুব তৃণমূলের সভাপতি আসগর আলি, নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ-সহ অন্যান্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই যোগদান হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রথম সারির নেতাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে তৃণমূল নন্দীগ্রামে বাড়তি শক্তি পেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নন্দীগ্রাম বিজেপিতে বিরাট ভাঙন! তিনবারের প্রার্থী তৃণমূলে

নন্দীগ্রামে বিজেপির আদি নেতা বিজন। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার পর উভয়কে একই অনুষ্ঠানে বহুবার দেখা গিয়েছে। সেই বিজয়. দাসই এখন তৃণমূল শিবিরে। আর তিনিই কি না এদিন অভিযোগ করলেন, শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে এসে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াচ্ছেন। তাঁর অনুগামীদের দৌরাত্ম্যে ওই পার্টিটা আর করা যাচ্ছিল না। তাই দলত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

বিজন বলেন, আত্মমর্যাদা নিয়ে বিজেপি পার্টিটা করতাম। কিন্তু এখন আর সেটা করতে পারছি না। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই আত্মমর্যাদা বজায় রেখে। তাই তৃণমূলে আসা। তিনি আরো বলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামের মাটিতে বিজেপিকে হাতে ধরে তুলে এনেছিল, একটা জায়গা করে দিয়েছিল, তাঁরা আজ ব্রাত্য। তাই সরে যাওয়াই শ্রেয় মনে করলাম।

বিজনের কথায়, ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে কোনো দল চলতে পারে না। বিজেপি সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে। এবার মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই। তাই তৃণমূলের হাত ধরলাম। এর আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন জয়দেব দাস-সহ বিজেপির একটা বড়ো অংশ। এদিন বিজন দাসের যোগদান প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র বলেন, বাংলার মানবিক সংহতি রক্ষার প্রশ্নে এটা একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত। বিজনবাবুকে স্বাগত জানাই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+