পূণ্য কাজে যাচ্ছেন! ভবানীপুর যাওয়ার আগে নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইলেন শুভেন্দু
নন্দীগ্রামের (nandigram) মাটিতে তিনি হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee)। সেই নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে ভবানীপুরে প্রচারে যাওয়ার আগে আশীর্বাদ চাইলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি (bjp) বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দ
নন্দীগ্রামের (nandigram) মাটিতে তিনি হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee)। সেই নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে ভবানীপুরে প্রচারে যাওয়ার আগে আশীর্বাদ চাইলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি (bjp) বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তাঁর আবেদন, নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে যেমন আশীর্বাদ করেছিলেন, ভবানীপুরের (bhawanipore) মানুষই তাই করুন।

সোনাচূড়াতেই হার মমতার
এদিন শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় বলেন, সেখানকার মানুষ তাঁকে আশীর্বাদ করেছিলেন। বারোশো ভোটে তাঁকে হারিয়ে দেওয়ার ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি জিতেছিলেন। কেননা তিনি জানতেন সোনাচূড়া থেকে চারহাজারের লিড না হলেও, অন্তত তিন হাজারের লিড থাকবেই। হয়েছিলও তাই। সোনাচূড়ায় গণনা শুরু হতেই সেখান থেকেই পিছিয়ে পড়েন দিদিমনি। বলেছেন শুভেন্দু।

আশীর্বাদ চাইলেন শুভেন্দু
এদিন সোনাচূড়া থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ভবানীপুরে পূণ্য কাজে যাবেন তিনি। সেই কারণে যেভাবে তাঁকে নন্দীগ্রামের জন্য আশীর্বাদ করেছিলেন, সেভাবেই যেন এবারও আশীর্বাদ করেন নন্দীগ্রামের মানুষ। সেখানেও যেমন হারিয়েছেন, তেমনই ওখানেও ...হরে কৃষ্ণ হরে হরে। প্রসঙ্গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রচারে শুভেন্দু অধিকারীকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছিল হরে কৃষ্ণ হরে হরে, বিজেপি ঘরে ঘরে।

সোনাচূড়ায় নিশিকান্ত মণ্ডলের স্মরণ সভা
এদিন শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় গিয়েছিলেন নিশিকান্ড মণ্ডলের স্মরণসভায় যএাগ দিতে। সেখানে গিয়ে তিনি তাঁর নন্দীগ্রামে জেতার পিছনে সোনাচূড়ার ভোটারদের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। সোনাচূড়ার বাসিন্দাদের প্রশংসাও করেন তিনি। প্রসঙ্গত গত বিধানসভা নির্বাচনে গণনার শেষ লগ্নে সোনাচূড়া থেকে লিড পেয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে বিধায়ক হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গণনায় টানটান উত্তেজনার মধ্যে শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীকে ১৯৬৫ ভোটে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। এদিন শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ২ মে গণনার দিন তাঁর পোলিং এজেন্টকে ভয় দেখানো হয়েছিল। এছাড়াও সোনাচূড়ার ১৭ টি ইভিএম লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূলই এই কাজ করেছিল বলে অভিযোগ তাঁর।

ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীর মুখে নন্দীগ্রামের কথা
নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হার ভুলতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই হারের কথাই উঠে এসেছে একবালপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। তিনি বলেছেন, তা কীভাবে হারানো হয়েছে, তা জানলে সবাই ভয় পেয়ে যাবেন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে যে মামলা চলছে, সেকথাও উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত গণনায় কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, না জিততে পারলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications