হঠাৎ ধেয়ে এল ভয়ঙ্কর টর্নেডো ঝড়, ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যের সাক্ষী দিঘার সমুদ্র সৈকত
হঠাৎ ধেয়ে এল ভয়ঙ্কর টর্নেডো ঝড়, ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যের সাক্ষী দিঘার সমুদ্র সৈকত
দিঘার সমুদ্রে হঠাৎ ধেয়ে এল টর্নেডো। রবিবার ছুটির দিন সকালেই ভিড়ে ঠাসা দিঘা সাক্ষী রইল আকস্মিক দুর্যোগের। আগাম কোনও সতর্কতা ছিল না। হঠাৎ দিঘার সমুদ্রে ধেয়ে আসে টর্নেডো। সকালে তখন সমুদ্রে প্রবল জোয়ার থাকায় কেউই সমুদ্রে নামেনি। সৈকতেও তেমন কেউ ছিলেন না। পর্যটকরা সমুদ্রের তিরে বসে নীল ঢেউ উপভোগ করছিলেন, তখনই ঘটল বিপত্তি।

টর্নেডোর তাণ্ডব, মুহূর্তে আশঙ্কার মেঘ
দিঘার সমুদ্রে হঠাৎ টর্নেডো ধেয়ে আসায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। জোয়ারের জল বেশি থাকায় পর্যটকরা উপরে ছিলেন। সেই সময় টর্নেডোর হানায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তবে দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়নি। টর্নেডোর তাণ্ডব। কিন্তু মুহূর্তেই আশঙ্কার মেঘ বাসা বাঁধে। আতঙ্কের পরিবেশ থেকে মুক্তি মিলতেই ফিরে আসে স্বস্তি।

মাঝ সমুদ্রে হঠাৎ উদয় হয় টর্নেডোর
সমুদ্রের পাড়ে বসে সবাই যখন ঢেউ গুণতে ব্যস্ত তখন মাঝ সমুদ্রে হঠাৎ উদয় হয় টর্নেডোর। সমুদ্র ভেদ করে ধেয়ে আসতে শুরু করে সেই ঝড়। মাঝ সমুদ্রে ওই তাণ্ডব রূপ ভয় ধরানোর পক্ষ যথেষ্ট। ছুটির দিন হওয়ায় ভিড় ছিল অপেক্ষাকৃত বেশি। তবে সমুদ্রে জলে স্নান করতে কেউ না নামায় রক্ষা মিলেছে। তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

প্রকৃতিই নিজেকে সংবরণ করায় রক্ষা
তবে রহস্যজনকভাবে এই টর্নেডো আবির্ভূত হওয়ার খানিক বাদেই মিলিয়ে যায়। কোনও আগাম সতর্কতা ছিল না, ফলে প্রকৃতি ফুঁসে উঠলেও আবার প্রকৃতিই নিজেকে সংবরণ করে রক্ষা করে। স্বল্পক্ষণ স্থায়ী হওয়ায় বিশেষ কোনও ক্ষতি হয়নি। এরপর জিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর-সহ সমুদ্র উপকূলবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা পরিদর্শন করা হয় প্রশাসনের তরফে। সমুদ্রে স্নানে নামার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যের সাক্ষী থাকলেন পর্যটকরা
দিঘার সমুদ্র সৈকতে উপস্থিত পর্যবেক্ষকরা এদিন ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যের সাক্ষী থাকলেন এদিন। হঠাৎ টর্নেডোর দর্শন মিলল। কিন্তু কোনও ক্ষতির মুখে পড়তে হল না কাউকে। সমুদ্র উত্তাল হল। তাও ক্ষণিকের জন্য। প্রশাসন এই ঘটনায় তটস্থ হয়ে উঠলেও প্রকৃতিদেবীর রোষ সংবরণ হওয়ায় বিশেষ কোনও ব্যবস্থা নিতে হয়নি এদিন।

খেজুরিতে বাঁধ ভেঙে প্লাবন, তারপর টর্নেডো
সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের জেরে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির সমুদ্র বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বহু গ্রাম। বৃষ্টি ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় সমুদ্র বাঁধে ভেঙে একের পর এক গ্রামে জল ঢুকে যায়। প্লাবিত হয় নিজকসবা ও জনকার বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রশাসনের তরফে বন্যাদুর্গতদের আয়লা সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আবার দিঘার সমুদ্রে টর্নেডো হানা দেওয়া নতুন করে বিপত্তি তৈরি হল।












Click it and Unblock the Notifications