প্রায় ১০ ফুট উঁচু ঢেউ দিঘায়, সমুদ্রের জল রাস্তায়, প্রশাসনের নজরদারি চলছে
দিঘায় প্রবল জলোচ্ছ্বাস। গার্ডরেল পেরিয়ে রাস্তায় উঠে আসছে জল। উত্তাল সমুদ্রের বড় বড় ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রে। গতকাল সোমবার রাত থেকে এই জলোচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে দিঘা সমুদ্র উপকূল এলাকায়।
প্রবল তাপপ্রবাহ চলছিল বাংলাজুড়ে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে উঠে গিয়েছিল দীর্ঘ দিন ধরে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিরও হাঁসফাঁস করা অবস্থা। তারই মধ্যে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, সোমবার থেকে বড়সড় বদল হবে আবহাওয়ার।

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে কালবৈশাখী হবে৷ প্রবল ঝোড়ো হাওয়া থাকবে। উপকূল অঞ্চলগুলিতে বৃষ্টি ও ঝড়ের প্রভাব অনেক বেশি থাকবে। সোমবার সন্ধের পর থেকে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। সমুদ্র উপকূল এলাকাগুলোতেও প্রবল ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেও দেখা যাচ্ছে উত্তাল সমুদ্র৷ জানা গিয়েছে, আট থেকে দশ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ছে দিঘা উপকূলে। মন্দারমণি, শঙ্করপুর সমুদ্র উপকূলের ছবিটাও একই রকম। সকাল থেকেই আকাশ অন্ধকার করে আছে। ভারী মেঘ রয়েছে আকাশে।
বাতাসের দমকা বেগও অনেকটাই বেশি। বিশাল ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের পাড়ে৷ প্রবল জলোচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে দিঘায়। পর্যটকরা দিঘায় রয়েছেন কিছু সংখ্যায়। সমুদ্রের এই রূপ দেখে তারা অভিভূত। তবে নিরাপত্তা অনেক বাড়ানো হয়েছে।
কোনও পর্যটক যাতে সমুদ্রে না নামেন, সেজন্য প্রশাসনের কড়া নির্দেশ আছে। টহলদারিও চলছে উপকূলের রাস্তায়। সমুদ্রের কাছাকাছি গেলেই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের। উত্তাল সমুদ্র। তাই মাছ ধরতে যেতেও নিষেধাজ্ঞা আছে।
আজও কালবৈশাখী, ঝড়বৃষ্টি হবে। এই কথা জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস৷ ৫০ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকবে। উপকূলীয় অঞ্চলকে সতর্ক করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহ জুড়েই এই ঝড়বৃষ্টির আবহাওয়া থাকবে। এই কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।












Click it and Unblock the Notifications