Abhishek Banerjee: দলের পাশে নেই অভিষেক? সেনাপতিকে সামনে আসতে বলে টুইট কুণালের
Abhishek Banerjee: আরজি কর কাণ্ডের পর তৃণমূলের অন্দরে কি ফাটল! ঘটনায় দোষীদের ফাঁসি চেয়ে শুক্রবার মিছিল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বকে একেবারে সামনে হাঁটতে দেখা যায়। ছিলেন সুব্রত বক্সি সহ দলের প্রবীণ নেতারা। কিন্তু সেই মিছিলে দেখতে পাওয়া যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
একাধিক ইস্যুতে বহুবারই নেত্রীর সঙ্গে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে (Abhishek Banerjee) পাশে পাশেই হাঁটতে দেখা যায়। এবার তাঁর অনুপস্থিতি চোখে পড়েছে অনেকেরই। আরজি কর কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা সহ গোটা দেশ। সেখানে নেত্রীর ডাকে মিছিল হচ্ছে, আর তাতে অভিষেক নেই কেন? রাজ্য রাজনীতিতে এহেন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

তাহলে তৃণমূলের অন্দরে কি সংঘাত ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে? এই প্রশ্ন যখন জোরাল হচ্ছে সেই সময় বিস্ফোরক পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ''আমরাও প্রতিবাদী। দোষীদের ফাঁসি চাই। কিন্তু তৃণমূল এবং বাংলার বিরুদ্ধে, শকুনের রাজনীতি বামরাম। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব রুখতে লড়াইতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সক্রিয়ভাবে সামনে চাই। আমাদেরও কিছু ভুল শুধরে সঠিক পদক্ষেপে সব চক্রান্ত ভাঙতেই হবে।'' আর এহেন পোস্ট ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কুণালের পোস্টে কোন ভুলের কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়।
যদিও পরে এর ব্যাখ্যা দেন কুণাল। বলেন, দু'একটি এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে তাতে আমাদের ভুল বুঝেছে মানুষ। বিশেষ করে সন্দীপ ঘোষের পদত্যাগ এবং বিকেলেই ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ করা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি সাধারণ মানুষ। এক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করলেই ভালো হত বলে দাবি তৃণমূল নেতার।
পাশাপাশি দেহ দেখতে না দেওয়া নিয়েও যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সেক্ষেত্রে সাবধান হওয়া উচিৎ ছিল বলে মেনে নেন। এক্ষেত্রে আরও প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সক্রিয় রাজনীতিতে নেই অভিষেক? না হলে কেন এই অবস্থায় তাঁকে সামনে চাইছেন কুণাল?
RGKar.
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) August 17, 2024
আমরাও প্রতিবাদী।
দোষী/দের ফাঁসি চাই। কিন্তু@AITCofficial ও বাংলার বিরুদ্ধে, শকুনের রাজনীতি বামরাম।
জননেত্রী @MamataOfficial এসব রুখতে লড়াইতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেনাপতি @abhishekaitc কেও সক্রিয়ভাবে সামনে চাই। আমাদেরও কিছু ভুল শুধরে সঠিক পদক্ষেপে সব চক্রান্ত ভাঙতেই হবে। pic.twitter.com/nfC327TDz2
সূত্রের খবর, প্রশাসনের একাংশের ভূমিকায় মোটেই খুশি নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি দলের একাংশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে তাঁর। যা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভও উগরে দিয়েছেন। ২১ শের মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, ভোটে সমস্ত নেতাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে।
আর সেই অনুযায়ী তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলতে শোনা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপরেও কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের খবর, দলের থেকে কিছুটা নিজেকে আড়ালই রেখেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। যদিও স্বাধীনতার রাতে আরজি করে গুণ্ডামির ঘটনায় কার্যত আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ান।
আন্দোলনকারীদের আন্দোলনকে যুক্তিসংগত বলেও টুইট করেন অভিষেক। শুধু তাই নয়, কলকাতা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে রঙ না দেখে ব্যবস্থার নির্দেশও দেন। এর মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব ছেড়ে দেয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর।
এতদিন সংবাদমাধ্যমের বিতর্ক সভায় কে যোগ দেবেন কিংবা যোগাযোগ রক্ষা করা সবটাই অভিষেকের অফিস থেকেই হতো। কিন্তু সেই দায়িত্ব শ্যুক্রবার ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এবার মিডিয়া সেলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ষীয়ান সুব্রত বক্সিকে। সেখানে আরও জল্পনা আরও তীব্র হচ্ছে যে সত্যিই প্রশাসনের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট অভিষেক? যদিওর ফিরহাদের ব্যাখ্যা, চোখের চিকিৎসার জন্যই দূরে রয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।












Click it and Unblock the Notifications