'১০ টাকার হরেক মাল' বলেই মীরের ভিডিও-তে ভাইরাল! সেই সমাপন মিশ্রকে চেনেন?
মীরের ভিডিও-তে এক যুবকের গলায় 'হরেক মাল' শুনে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। কন্ঠে যেন যাদু আছে। নিজের সেই মেধাকে কোন পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান সমাপন মিশ্র?
One India Bangla- কে জানালেন সেই গোপন তথ্য!

- One India Bangla: সোশ্যাল মিডিয়াতে কবে থেকে কাজ শুরু করলেন?
সমাপন মিশ্র: কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করার ইচ্ছা হয়! এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়েই প্রথম ভাবনা শুরু হয় যে ইউটিউবে চ্যানেল করব। সেটা অনেক বড় হবে। আর সেখান থেকে রোজগারেও ভাবনা হয়।
এমনকী সেই সময় পড়াশোনা পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়ার ভাবনাও আসে। উঠতি বয়সে যা হয়। যদিও পরবর্তীকালে তা আর হয়নি। আর তা না হওয়াতে পড়াশোনাতেই মন দিই। যদিও পরে একাই একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলি।
বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের গলা নকল করতে পারি সেটা আবিস্কার করেছিলাম। সে রকম কনটেন্ট পরিবারের সদস্যদের শোনাতে শুরু করি। তাদের মধ্যমণি হয়ে উঠেছিলাম। তারাই সাহস দেয়। এমনকী তা নিয়ে এগোনোর কথাও বলে। কিন্তু কোন পথে! সেই ধারণা ছিল না। পরে ইউটিউবে চ্যানেলে সেগুলি দেওয়া শুরু করি। বিভিন্ন সিরিয়ালের কথোপকথন, হরেক মাল ১০ টাকা, রেডিও জকিদের কথাবার্তা এই সব নিয়ে ভিডিও আপলোড করতাম।
কিন্তু কখনই মুখ দেখাতাম না। ফলে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা আসছিল না। ভিউজও আসত না। আর তাতে কিছুটা দমে যেতাম। ২০১৯ কিংবা ২০২০ সালের শুরুতে 'পাকা দেখা'তে ( শ্রুতি নাটক) প্রথম মুখে দেখিয়ে কাজ। একেবারে একটা টেকে এই কাজ করি। দাদা আর মাকে সঙ্গে নিয়েই এই কাজ করি। মেল এবং ফিমেল ভয়েসে কাজটা করেছিলাম। আর সেটা খুব ভাইরাল হয়। বাংলাদেশ সহ প্রবাসীদের কাছে ওই ভিডিও পৌঁছে যায়। আর সেটাই একটা কিক।

- One India Bangla: বিশেষ করে কোনও জোন রয়েছে
সমাপন মিশ্র: প্রথমেই মাথায় থাকে স্টিরিওটাইপ না হয়ে পড়ি। শুধুমাত্র দুটি ভয়েসে না, একাধিক ভয়েসেও কাজ করি। বিভিন্ন চরিত্রকে গলার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি। চ্যানেলে সোশ্যাল মেসেজও থাকে। ছোটবেলা মা'য়ের থেকেই গান শিখেছি। সেটিও গাওয়ার চেষ্টা করি।
যদিও গানটা পরবর্তীতে শেখা হয়নি, কিন্তু ভালোবাসি গাইতে। পরবর্তীকালে ফের গান শেখার ইচ্ছা কাছে। বিশ্বজিত সরকারের কাছে শিখে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তৃতীয় ইয়ার কমপ্লিট হয়েছে। এছাড়াও চ্যানেলে নিজের লেখা কবিতা থাকে। সব ধরনের কনটেন্ট থাকে। আর তা সবটাই আমার নিজস্ব।

- One India Bangla: মীরের সঙ্গে ভিডিও ভাইরাল
সমাপন মিশ্র: ছোটবেলা থেকেই 'আর জে' হওয়ার ইচ্ছা ছিল। একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সুযোগও তৈরি হয়। সেই সময় সানডে সাসপেন্সে ইতিমধ্যে কাজ করে ছিলাম। অমর্ত্য সাহা স্যারের প্রোডাকশনের আয়োজিত রেডিও ওয়ার্কশপে আর-জে দ্বীপের সঙ্গে পরিচয়। আমার কাজ দেখে ভালো লেগে সানড সাসপেন্সে ভয়েশ ওভার দেওয়ার সুযোগ দেন।
অন্যদিকে প্রতিযোগিতাতে অংশও নিয়েছিলাম একটি। যেখানে সোমক-অগ্নির সঙ্গে মীরদাও সঞ্চালনার ভূমিকায় ছিলেন। তবে জয়ী হতে পারিনি। সেকেন্ড হয়েছিলাম।
আর সেখান থেকেই মীরদার সঙ্গে যোগাযোগ। সেখানে আমি আমার একটা কীর্তি তুলে ধরে তুলেছিলাম। তা দেখে খুশি হন মীরদা। এরপরে একটি মিট এন্ড গ্রিট হয়। সেটি ছিল অসম শালা মিট। তাতে আরও একটি প্রতিযোগিতা হয়। তাতেও অংশ নিই।
তবে মীরদাকে আমার স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলাম আগেই, কিন্তু দেখা হয়নি। অসম শালা মিটে ফের দেখা হয় মীরদার সঙ্গে। আর সেখানে বেশ কিছু পারফর্ম করেছিলাম। যার মধ্যে ছিল হরেক মাল ১০ টাকা। আর সেটি ভাইরাল! তবে মীরের সঙ্গে দেখা হওয়াও অনেক বড় প্রান্তি।
One India Bangla: পরিবারের সাপোর্ট কতটা পেয়েছ?
সমাপন মিশ্র: আমি খুবই লাকি! পরিবারের সবাই খুবই সাপোর্টিভ। বিশেষ করে আমার মা-বাবা এবং দাদা। এছাড়াও আত্মীয়রা তো রয়েছেনই। কেউ বাধা দেয়নি। বাবা সবসময় বলতেন, সন্তান মানুষের মতো মানুষ হোক। তবে একেবারে পিওর সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল আমরা। তবে ইংরেজি নিয়ে স্নাতক পড়া। পরিবারের সবাই সায়েন্স নিয়ে পড়েছেন।
আমার বাবা অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন। মা বটানি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, একটা সময় শিক্ষাকতা করেছেন। দাদাও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছে। ফলে মায়ের একটা সময় মনে হয়েছিল...... তবে বাড়িতে কোনও চাপ ছিল না। একটা অনিশ্চিয়তা তো রয়েছেই।

- One India Bangla: আগামিদিনে কীভাবে এগোনোর ইচ্ছা আছে?
সমাপন মিশ্র: আকাশবাণীর যুববাণীতে কাজ করছি। আকাশবাণী ভবনে ৩০ বছর পর্যন্ত কাজ করা যায়। রেডিও স্টেশনগুলিতে রেডিও জকি হিসাবে ছোটবেলা থেকে কাজ করার ইচ্ছা ছিল। আর সেই সুযোগের অপেক্ষায়। পাশাপাশি মীরদার নতুন চ্যানেল 'গপ্পো মীরের ঠেকে' কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।
তবে বিএড করার ইচ্ছা আছে। অ্যাকাডেমি লাইনে এগোনোর একটি রাস্তা থাকছে।
- One India Bangla: যারা ভালো কাজ করতে চান তাঁদের জন্যে কী পরামর্শ
সমাপন মিশ্র: ভালো-খারাপ সব সময় ছিল। দেখলেই বোঝা যায় কোন কনটেন্টটা আলাদা। তবে সবই থাকবে। ধৈর্য ধরতে হবে। একদিন না একদিন এর ফল আমরা পাবই। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে ফেলি। বিশেষ করে এখন যারা কাজ করছেন তাঁরা চাইছেন তিন-চারমাসের মধ্যে মনিটাইউজ হয়ে যাক। তা তো হয় না। এক্ষেত্রে ধৈর্য রাখতে হয়। একটু একটু করে কাজ করতে হয়। কোয়ালিটি কনটেন্টটা খুব প্রয়োজন। একটু সময় নিয়ে ভালো কনটেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করি। ফলে সবাইকে ধৈর্য রাখার কথা বলব।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications