বাংলায় ৪২ দফায় লোকসভা নির্বাচন করলেই হতো! কমিশনের ঘোষণার পরই খোঁচা তৃণমূলের
সাত দফা নির্বাচনের প্রয়োজন ছিল না। তা সত্ত্বেও ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের। সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই মন্তব্য দলের নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। তবে এর আগে সেই সাংবাদিক সম্মেলন করেই দলের ওপর নেতা সুখেন্দুশেখর রায় কটাক্ষ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বাংলায় ৪২ দফায় নির্বাচন করলেও পারত।
২০১৯-এ বাংলায় সাত দফায় নির্বাচন হয়েছিস। আর ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। কার্যত সেই পথে হেঁটেই এদিন নির্বাচন কমিশনের তরফে বাংলায় সাত দফায় নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়।

এদিন নির্বাচনের দফা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনবার রাজীব কুমার বলেন, কারও সুবিধার জন্য বিভিন্ন দফায় ভেঙে নির্বাচন করানো হয় না। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্য আলাদা। কোনও রাজ্যে এক দফায় আর কোনও রাজ্যে সাত দফায় নির্বাচন হচ্ছে। যেসব রাজ্যে সাত দফায় নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনে সন্ত্রাস দমন করা হবেই।
আর নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হওয়ার পরে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিজেদের কোনও পরিকাঠামো নেই। তাদেরকে রাজ্যের পরিকাঠামোই ব্যবহার করতে হয়। সেই কারণে রাজ্য পরামর্শ মানা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় টাকা, নেশার বস্তু, অলংকার যেসব রাজ্য থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেইগুলির তালিকায় বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি রয়েছে প্রথমের দিকে। তবে তিনি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের সময় সন্ত্রাসের বিষয়টি মানতে চাননি।
এরপর তৃণমূলের তরফে আরেকটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করছেন না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনারদের বেছে দিয়েছেন। তিনি চণ্ডীগড় মেয়র নির্বাচনের উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একটি কিংবা দুটি দফায় করানোর জন্য অনুরোধ করেছিল তৃণমূল।
তিনি বলেন, দফা বাড়লে ভোটার সংখ্যায় কম হয়ে যায়। ২০১৯-এর নির্বাচনে অনেক দফায় ভোট হয়েছিল। কিন্তু যেখানে এক দফা কিংবা দুই দফায় ভোট হয়েছিল, সেখানে ভোটের হার বেশি ছিল। কিন্তু দফা বাড়তেই ভোটের হার করে যায় বলে দাবি করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
তিনি আরও বলেন, ২০২১-এ বলা হয়েছিল কোভিডের কথা। সেই সময় আট দফায় নির্বাচন করা হয়েছিল। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাবি করেন, বেশি দফা হলে যাদের টাকা বেশি লোকবল বেশি তারা তা বেশি বেশি করে ব্যবহার করতে পারে। তিনি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে এক্সটর্সন ডিরেক্টরেট বলে নিশানা করেন।
এরপরেই তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির অভিযোগ আনেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল ২ কোটি চাকরি, অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু কোনও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সারা ভারতের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, যাঁর গ্যারান্টার শুধু কথায় নয়, কাজেও।
তিনি এদিন ফের রাজ্যের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, কেন্দ্র চার লক্ষ ষাট হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু বাংলাকে প্রাপ্ত অধিকার দেয়নি।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications