Kunal Ghosh: "ইনকিলাব-জয় শ্রী রাম ব্রিগেড! আগে বিজেপির থেকে ভোট ফেরান," সিপিএমকে চ্যালেঞ্জ কুণালের
Kunal Ghosh: রবিবারের ব্রিগেড ঘিরে বাম কর্মী সমর্থকদের উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে। বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপাতে ব্রিগেড দিয়ে লড়াই শুরুর বার্তা বামেদের। যদিও বাম ব্রিগেডের সমাবেশ আসলে সিপিএম ও বিজেপির ব্রিগেড বলে কটাক্ষ তৃণমূলের। বামেদের ৪টি সংগঠনের ডাকা ব্রিগেডকে 'হাঁসজারু' ব্রিগেড বলে কটাক্ষ তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের।
তৃণমূলের বরাবরই দাবি, ব্রিগেডে এত লোক এলেও বামেদের ভোটবাক্সে তার প্রতিফলন দেখা যায় না। বরং শাসকদলের দাবি, বামেদের ভোটের সিংহভাগ চলে যায় বিজেপির ঝুলিতে। এনিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র এদিন বললেন, "ব্রিগেড আসলে সিপিএম ডেকেছিল, কিন্তু বিজেপির ভোটাররা গেছিল। ব্রিগেডের স্লোগান তাই, সিপিএমের ডাকে ব্রিগেড চলো, বিজেপিকে ভোট দিতে ব্রিগেড থেকে ফেরো।"

কুণাল ঘোষের সরাসরিই প্রশ্ন, "ভোটের সময় এই লোকগুলো কোথায় যায়? নির্বাচনে দেখা গেছে সিপিএমের ভোট কমে গেছে। উল্টে বিজেপির ভোট বেড়ে গেছে। তৃণমূলের ভোট তো বেড়েইছে। সিপিএমকে বলব, আগে ভোটটা ফেরান। তারপর ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলবেন। ৫-৬ শতাংশে নেমেছে সিপিএম। আপনাদের ভোট নিয়েই বিজেপির আসন বেড়েছে।"
কর্মীদের উজ্জীবিত করতে এদিনের ব্রিগেডে বক্তব্য রাখেন একের পর এক বাম নেতৃত্ব। ব্রিগেড থেকেই রাজ্যের স্টিয়ারিং বাঁদিকে ঘোরানোর কথা বলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। যদিও তা নিয়ে কুণালের কটাক্ষ, "একটা সভা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্পর্ক নেই। এর আগের ব্রিগেডেও ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছিল। এমন ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিধানসভা, লোকসভায় শূন্য। ক'মাস বাদে রাজ্যসভায় শূন্য হবে। থ্রি টায়ার শূন্য সিপিএম।"
কুণালের আরও কটাক্ষ, "রাম বামের ব্রিগেড হয়েছে। মঞ্চটা দেখতে সিপিএমের, কিন্তু এই ব্রিগেড ইনকিলাব জয় শ্রী রামের ব্রিগেড। নিজের পাড়ায় নিজের দলকে জেতাতে পারে না। ওদের এসব ব্রিগেড নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। সিপিএমকে চ্যালেঞ্জ করছি, যে ভোটটা আপনাদের বিজেপিতে ট্রান্সফার হয়েছে সেটা আগে ফেরান।"
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ পরিদর্শন সেরে রাজ্য সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকার। এনিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না কুণাল। তিনি বলেন, "জাতীয় মহিলা কমিশনের যারা এসেছেন, তারা দলদাসের ভূমিকা পালন করছেন। বাংলা ছাড়া কোথাও যান না। কারণ বাংলায় এসে বাংলার বদনাম করলে রাজ্যসভার টিকিট দেওয়া হয়। নূপুর শর্মার ক্ষেত্রে দেখেছি। মণিপুরে তারা যান না। এখানে পলিটিক্যাল অ্যাসাইনমেন্টে এসেছেন। ওদের জিজ্ঞেস করুন না, উত্তরপ্রদেশে নরেন্দ্র মোদীর নিজের কেন্দ্রে নারী নির্যাতন হলে যায় না কেন?"












Click it and Unblock the Notifications