Sukanta Majumdar: ডিজির সঙ্গে দেখা করেও সন্তুষ্ট নন সুকান্তরা, কী দাবি জানালেন বিজেপি নেতারা?
সংসদে ওয়াকফ পাশ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মালদহ মুর্শিদাবাদের একাধিক জায়গায় ভয়াবহ হিংসার ঘটনা ঘটেছে। বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে একাধিক প্রান্তে হিংসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি।
এই প্রেক্ষাপটে বুধবার বিকেলে মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় আক্রান্ত হওয়া এবং ঘরছাড়া ব্যক্তিদের নিয়ে রাজ্য পুলিশের রাজীব কুমারের সঙ্গে দেখা করতে ভবানী ভবনে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপির আরও তিন নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, তাপস রায়, অর্জুন সিং। কিন্তু তাদের প্রথমে ভবানী ভবনে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি কারণ প্রয়োজনে অনুমতি ছাড়া ভিতরে প্রবেশ করা যায় না। এরপরই শুরু হয় স্নায়ুর যুদ্ধ।

এই পরিস্থিতিতে বিজেপির নেতারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে ভবানী ভবনের সামনেই বসে ধর্ণায় বসে পড়েন। বিকেল পাঁচটা থেকে প্রায় সন্ধ্যা ৭:৩০ এর কাছাকাছি সময় পর্যন্ত তারা সেখানেই বসে থাকেন। অবশেষে রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বাইরে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেন।
পুলিশের অনুমতি পাওয়ার পরেই আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে ভবানী ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি চার নেতা, ঘন্টাখানেক ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে আলোচনা কর ভবানী ভবনে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা আমাদের আন্দোলনের জয়, একজন থানার ওসিও দেখার করেন না আমাদের সঙ্গে, আজ ডিজি সময় দিলেন। তবে আশ্বস্ত হওয়ার মতো কিছুই পেলাম না। আমরা একাধিক বিষয় তুলে ধরেছি। আমাদের তোলা সমস্ত অভিযোগ গুলি উনি শুনেছেন এবং নোট করেছেন কিন্তু রাজ্য পুলিশের প্রধান হয়েও উনি ঘরছাড়া ব্যক্তিদের জন্য সেভাবে কিছুই বলতে পারলেন না যাতে তারা আশ্বস্ত হতে পারেন। তবে ডিজি শুধু বলেছেন আমরা আইন মেনে কাজ করব।
একই সঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি এইসব আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথমে কৃতজ্ঞতা জানাবো আমার মা বোনদের প্রণাম জানাবো তারা সকালবেলায় বেরিয়ে অনড় ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে দেখা করবেন এখানে আড়াই ঘন্টার কাছাকাছি তাদের বসে থাকতে হয়েছে তারপরেও তারা ধৈর্য ধরেছেন। পুলিশ দুস্থদের খাওয়াতে পারছে না কিন্তু আমরা যখন ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছি তখন আমাদের আটকে দেয়া হচ্ছে। আমরা যে প্রশ্নগুলো করেছিলাম তার কোন উত্তর পাইনি।
পুলিশের ভূমিকার নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মুর্শিদাবাদের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্প খোলার দাবি জানিয়েছেন। সুকান্ত মজুমদারের কথায়, পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনি থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে কারণ তারা বিষয়টিতে দক্ষ। আমরা প্রয়োজনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করব।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications