DA Hike: ১ এপ্রিলেই DA বাড়ছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের, তবু কেন্দ্রের থেকে ৩৫ শতাংশ কম! সুপ্রিমে ফের পিছোল শুনানি
DA Hike: ১ এপ্রিল থেকে বর্ধিত হারে ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটেই সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো এবার থেকে ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। মঙ্গলবার এনিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন।
সরকারি কর্মীদের ডিএ-র পাশাপাশি পেনশনভোগীরাও ১৮ শতাংশ হারে ডিআর পাবেন। রাজ্য সরকারের অধীনস্ত শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, সরকারি বিভিন্ন অফিসের কর্মী থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীরা ও কর্পোরেশনের কর্মীরা ১ এপ্রিল থেকে বর্ধিত হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন। যদিও কেন্দ্রের সঙ্গে ডিএ-র ফারাক থেকে যাবে ৩৫ শতাংশ।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেটে ডিএ ৪ শতাংশ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এর আগে ১৪ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। ২০২৩ সালের বাজেটে তিন শতাংশ ও ২০২৪ সালের বাজেটে চার শতাংশ ডিএ বাড়ানো হয়েছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ৫৩ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। সেই বৈষম্য দূর করতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ।
এবারের বাজেটে কিছুটা প্রত্যাশা পূরণ করেছিল রাজ্য সরকার। সেইমতো এবার পয়লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে চলেছে বর্ধিত হারে ডিএ। যদিও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। ন্যায্য হারে ডিএ দেওয়ার দাবিতে ধর্মঘটের পথে হাঁটছে বাম সংগঠনগুলি। আগামী ৭ থেকে ৯ এপ্রিল রাজ্য জুড়ে সরকারি দফতরে ৩ ঘণ্টা ব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলার শুনানি ছিল। যদিও সেই শুনানি পিছিয়ে গেল এদিন। আগামী এপ্রিলে শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। নতুন বেঞ্চে গিয়েছে ওই মামলা। এর আগে বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের বেঞ্চে ডিএ মামলা ছিল। শুনানি শেষ হওয়ার আগেই ওই বিচারপতি অবসর নেন। ফলে গত তিন মাস ধরে মামলাটি শুনানির জন্য আসেনি।
বর্তমানে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে মামলা ওঠে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেওয়ার রায় দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে শীর্ষ আদালতে রাজ্যে আবেদন জানায়। আড়াই বছর কাটতে চললেও মামলার শুনানি এখনও হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications