সপ্তমীর রাতে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের রাস্তা আটকালো পুলিশ, মণ্ডপের আলো নেভালো পুজো কমিটি
কলকাতা পুলিশের সঙ্গে আবারও সংঘাতের পথে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গাপুজো কমিটি। সপ্তমীর রাতে ফিরে এল অতীতের স্মৃতি। অত্যধিক ভিড় বাড়তে থাকে লেবুতলা ওরফে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের ঠাকুর ও মণ্ডপ দেখার জন্য। এক সময় পুলিশ মণ্ডপে ঢোকার চার মাথার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। তাই নিয়ে শুরু হয়ে যায় চরম বিশৃঙ্খলা। পালটা পুজো কমিটির তরফ থেকেও পদক্ষেপ করা হয়।
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে এবার লাস ভেগাসের আদলে মণ্ডপ করা হয়েছে। মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে লাইটের শো থাকছে। সেই সব দেখার জন্য চতুর্থীর রাত থেকেই ভিড় শুরু হয়ে যায়। সপ্তমীর রাতে মানুষের ঢল নামে। এক সময় মণ্ডপে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কলকাতা পুলিশ মণ্ডপে যাওয়ার দুটি রাস্তায় আটকে দেয় বলে অভিযোগ।

এক সময় কার্যত মেজাজ হারান এলাকার কাউন্সিলর ও পুজো উদ্যোক্তা সজল ঘোষ। মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরের আলোর খেলা বন্ধ করে দেয় কমিটি। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন সজল ঘোষ। এভাবে মানুষের সমস্যা তৈরি করছে পুলিশ। অন্যান্য রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ মণ্ডপে যাওয়ার চেষ্টা করবে। ফলে তাদের সমস্যার মুখে পড়তে হবে। এই কথাও বলেন সজল ঘোষ।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পৌঁছে যান ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। এক সময় মণ্ডপ যাওয়ার রাস্তা খুলে দেওয়া হয়৷ ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে থাকে৷ কিন্তু পুলিশের বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের ক্ষোভ রয়েছেই। গত দুই বছরের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোতে পুলিশি বাধা এসেছে।
লাল কেল্লা পুজো মণ্ডপ করা হয়েছিল দুই বছর আগে। সেবার লাইটের শ্যো ছিল মণ্ডপের বাইরের সামনে। প্রচুর মানুষের ভিড় হয়েছিল। সেই লাইটের শ্যো পুলিশ এক সময় বন্ধ করে দেয়। গতবার রাম মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছিল। পুলিশ মানুষকে পুজো দেখতে বাধা দিচ্ছে। সেই অভিযোগ উঠেছিল। এবার সপ্তমীর রাতেই পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দিল। অষ্টমী, নবমীর পরিস্থিতি কী হবে? পুলিশ কী ভূমিকা পালন করবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে মণ্ডপের বাইরের ভিড় থেকে 'জাস্টিস ফর আরজি কর' স্লোগান দেওয়া হয়। 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস' স্লোগানও ওঠে ভিড়ের থেকে৷ মণ্ডপের ভিতর ' জয় শ্রীরাম' নাড়া দেওয়া হয়৷












Click it and Unblock the Notifications