মেয়েটা মারা গিয়ে কলেজগুলো ঠিক করার কাজ হচ্ছে, বিস্ফোরক বক্তব্য নির্যাতিতার বাবার
জুনিয়র চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য ভবনের বাইরে রাস্তায় বসে রয়েছেন। আন্দোলন আরও দৃঢ় হচ্ছে। বহু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষ তাদের পাশে রয়েছেন। তার মধ্যে নাড়িয়ে দিয়েছে আরজি করের নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বক্তব্য।
মেয়ে মারা গিয়ে সমস্ত কলেজগুলোকে ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে। এই মারাত্মক বক্তব্য রেখেছেন নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা। তিনি নিজেও গতকাল রাতে স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র চিকিৎসক আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।

আরজি কর হাসপাতালে ৩১ বছর বয়সী জুনিয়র চিকিৎসকের উপর অকথ্য অত্যাচার হয়। তাকে খুন করা হয়। একাধিক ব্যক্তি ওই নির্যাতনে জড়িয়ে। এমনই দাবি উঠে আসছে আন্দোলনকারীদের থেকে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। এই দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। এর আগে লালবাজার অভিযান করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এবার স্বাস্থ্য ভবনের সামনে রাস্তায় আন্দোলন করছেন তাঁরা।
স্বাস্থ্য সচিবকে সরানোর দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সরকার সেই দাবি শোনেনি। গতকাল বিকাল থেকে আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে রয়েছেন রাতে খাওয়া দাওয়া রাস্তাতেই হয়েছে আজ বুধবারও সেখানেই আন্দোলন চলছে। সেখানে রাতে উপস্থিত ছিলেন নির্যাতিতার বাবা।
তিনি বলেন, " কলেজগুলোর এই অবস্থা আমি জানতাম না। আজকে আমার মেয়েটা মারা গিয়ে কলেজগুলোকে ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে। ছ'মাস বা এক বছর আগে যদি এটা হত। তাহলে আমার মেয়ের সঙ্গে জঘন্য ঘটনা ঘটত না।" তাহলে কি নির্যাতিতার বাবা এবার সরাসরি সরকারের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছে? এই প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।
আরজি কর হাসপাতালে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে। তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নাম উঠে আসছে। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে তদন্তকারীদের আতসকাঁচের তলায়। শুধু আরজি কর নয়। অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে ভিতরেও দুর্নীতি চলছে। থ্রেট কালচার হাসপাতালে অঙ্গ হয়ে উঠেছে পড়ুয়াদের সঙ্গে। এইসব মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসছে।
তাহলে কি এবার এই সব কিছুর বিরুদ্ধেই নির্যাতিতার বাবা আঙুল তুলছেন? নির্যাতিতা কি এইসব জানতে পেরে গিয়েছিলেন?












Click it and Unblock the Notifications