Doctor Protest: স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ধর্না তুলতে চাপ? ফের খোলা হচ্ছে মঞ্চ, সরানো হচ্ছে ত্রিপল
RG Kar Hospital Doctor Protestঃ ফের সকাল থেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে খোলা হচ্ছে ঝাউনি! খুলে নেওয়া হচ্ছে বাঁশ। এমনকি তাঁবুতে লাগানো ফ্যান, স্ট্যান্ড ফ্যানগুলিকেও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হঠাত করে কেন সেগুলি খোলা হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট নয় জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁদের অভিযোগ, সমস্ত কিছুই সাধারণ মানুষই বিভিন্ন ডেকরেটার্সদের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন।
হঠাত করে কেন খোলা হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। তবে এর পিছনে চাপ রয়েছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। তাঁদের কথায়, ডেকোরেটার্সদের উপর চাপ তৈরি করে বাঁশ-ত্রিপল খুলে নেওয়া হচ্ছে। সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাঁশও (RG Kar Hospital Doctor Protest)। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

গত ৪০ দিন ধরে কর্মবিরতি চালাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতালে নিরাপত্তা সহ একাধিক দাবিতে গত ১০ দিন ধরে বসে রয়েছেন তাঁরা। বুধবার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা হয়। প্রায় কয়েক ঘন্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। কিন্তু ম্যারাথন বৈঠকের পরেও কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি। আর এরপরেই কর্মবিরতি চলবে বলে স্পষ্ট জানান আন্দোলনকারীরা।
একদিকে যখন বুধবার রাতে বৈঠক চলছিল, সেই সময় অর্থাৎ রাতেই স্বাস্থ্য ভবনের সামনে তৈরি হওয়া ঝাউনি খোলার কাজ শুরু হয়। বাঁশ খুলে ত্রিপল সরানো হয়। হঠাত করে এমন ছবি দেখে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। জল্পনা তৈরি হয় তাহলে কি বৈঠক সফল? আর সেজন্যেই ত্রিপল খোলার কাজ শুরু হয়েছে? ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান সেই সময় ধর্নামঞ্চে থাকা জুনিয়র ডাক্তাররা। শুরু হয় বিক্ষোভ। তাতে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের কাজ শুরু হয়েছে। এক এক করে সমস্ত ত্রিপল খুলে ফেলা হচ্ছে। মূলত বৃষ্টির জন্যেই বাঁশ বেঁধে গোটা জায়গাটায় একটা ছাউনি তৈরি করা হয়। সেখানেই থাকছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আর সেটাই খুলে নেওয়ার কাজ চলছে বলে খবর। এমনকি সমস্ত ফ্যান, খাট সমস্ত কিছু সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এক আন্দোলনকারীর কথায়, আমরা ডেকোরেটার্সদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন এই সমস্ত কিছু খুলে নিয়ে অন্য জায়গায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবনের সামনে থেকেই কেন খোলা হচ্ছে তা স্পষ্ট নয় বলেই দাবি আন্দোলনকারীদের। এই অবস্থায় তাঁদের দাবি, এর পিছনে চাপ রয়েছে। তবে ছাউনি খুলে, পাখা সরিয়ে কখনই দুর্বল করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি।
অন্যদিকে বিধাননগর কমিশনারেটের দাবি, পুলিশ কাউকে কোথাও চাপ দেয়নি। এই বিষয়ে চিকিৎসকরা তাঁরা যদি সাহায্য চান তা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications