Primary TET Scam: সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি, প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় বড় মোড়!
Primary TET Scam: এসএসসি মামলায় চাকরি বাতিলের মাঝেই প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়। প্রাথমিকের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সৌমেন সেন। ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়ালেন বলে জানিয়েছেন বিচারপতি সেন। মামলা যাবে প্রধান বিচারপতির কাছে। নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করবেন প্রধান বিচারপতি। সেখানেই হবে পরবর্তী শুনানি।
২০১৪ সালে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় টেট উত্তীর্ণ হন প্রায় এক লক্ষ ২৫ হাজার প্রার্থী। ২০১৬ সালে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে পর্ষদ। টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে থেকে ৪২ হাজার ৯৪৯ জনকে চাকরি দেওয়া হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই ৪২ হাজার ৯৪৯ জনের মধ্যে ৩২ হাজার প্রার্থীই অপ্রশিক্ষিত। এছাড়াও তাঁদের নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম হয়েছে।

২০২৩ সালের মে মাসে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির নির্দেশে প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছিল। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষা থেকে নিয়োগ হয় এই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। সংরক্ষণ নীতি না মানা, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট না করা-সহ একাধিক কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ। সঠিক পদ্ধতিতে ইন্টারভিউ না নিয়েই চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
মামলায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে সিঙ্গল বেঞ্চ। পরে সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে এখন ওই মামলা বিচারাধীন বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। এর আগে সেই মামলায় সব পক্ষের বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত। কোন যুক্তিতে প্রাথমিকের ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করা হল, তা জানতে চেয়ে সব পক্ষের কাছে বক্তব্য চেয়েছিল হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।
এসএসসি মামলায় ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে। এরই মধ্যে প্রাথমিকের চাকরি বাতিল মামলার শুনানি ঘিরে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টে মামলাটি শুনানির তালিকাভুক্ত থাকলেও নির্ধারিত শুনানি হয়নি। বিচারপতি সেন মামলা থেকে অব্যাহতি নেওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল মামলা।












Click it and Unblock the Notifications