আরজি করে ভাঙচুরের ঘটনায় ৩৭ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ, কী বলছে প্রশাসন?
আরজি কর কাণ্ডে বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিবাদ হচ্ছে৷ আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সহ অন্যান্য জায়গায় ভাঙচুর চালায় উন্মত্ত জনতা৷ সেই ঘটনায় ধরপাকড় চালাচ্ছে পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই ঘটনা ৩৭ জন গ্রেফতার হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সাত হাজার বহিরাগত আরজি কর হাসপাতালের আশপাশে হঠাৎ করেই চলে এসেছে। এমন অভিযোগই সামনে এসেছে। পুলিশ কর্মীরা নিজেই আত্মরক্ষার জন্য লুকিয়েছিল হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায়। হাসপাতালের শৌচালয়েও পুলিশ লুকিয়েছিল বলে খবর।

পুলিশ শনিবার পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছিল৷ রবিবার আরও ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে। আরও অনেকের খোঁজ চালানো হচ্ছে। কিন্তু ঠিক কোন উদ্দেশ্য নিয়ে তারা সেই রাতে হামলা চালিয়েছিল? তাদের লক্ষ্য ছিল কি জরুরি বিভাগের চার তলার সেমিনার রুম? সেই বিষয়টি এখনও পরিষ্কার করে সামনে আসেনি৷
হাসপাতালের একাধিক জায়গা তারা তছনছ করেছিল। ওষুধপত্র নষ্ট করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওই ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকশো কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে৷ তবে তিনি ওই ঘটনার জন্য বিজেপি ও সিপিএমের দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।
বিরোধীদের পাল্টা দাবি, মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। তৃণমূল ওই ঘটনার জন্য দায়ী৷ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই ওই হামলাকারীদের পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অতীন ঘোষ। ডিওয়াইএফআই - এর বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু সেই ঘটনায় ডিওয়াইএফআইয়ের কেউ জড়িয়ে নেই। এই দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সেই ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। পুলিশের ব্যর্থতার কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি। তবে সেই ঘটনায় পুলিশ কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছিল। সেই কথাও দাবি করেছেন তিনি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টও যথেষ্ট সমালোচনা করেছিল গত সপ্তাহে শুনানি চলার সময়ে।












Click it and Unblock the Notifications