ভোটের ফল যাই হোক, প্রাক-ভোটে গোহারা তৃণমূল কংগ্রেস, উৎফুল্ল বিরোধী নেতারা

একের পর এক ধাক্কা। মনোনয়নে হিংসার জেরে সেই যে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন বিরোধীরা, তারপর থেকে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন থাপ্পড় খেয়েই চলেছে।

একের পর এক ধাক্কা। মনোনয়নে হিংসার জেরে সেই যে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন বিরোধীরা, তারপর থেকে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন থাপ্পড় খেয়েই চলেছে। বিরোধী শিবিরের কাছে লাগাতার হেরেই চলেছে আইনি যুদ্ধে। বিনা লড়াইয়ে জিততে গিয়ে একেবারে নাকাল হতে হয়েছে শাসকদলকে। তারপরও জয় অধরা থেকেছে। প্রাক-ভোটে জয়ী বিরোধীরাই।

ভোটের ফল যাই হোক, প্রাক-ভোটে গোহারা তৃণমূল কংগ্রেস, উৎফুল্ল বিরোধী নেতারা

একেবারে শেষ ল্যাপে এসে বিরোধীদের সবাইকে টেক্কা দিয়ে গিয়েছে সিপিএম। এক গুরুত্বহীন মামলা জিতে জমিয়ে দিয়েছে ভোট-যুদ্ধ। নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যকে পাঠিয়ে দিয়েছে একেবারে ভেন্টিলেশনে। বিজেপি যে দাবি সর্বাগ্রে তুলেছিল, সেই অস্ত্রেই শাসককে ল্যাজে-গোবরে করে ছেড়েছেন বামেরা। এখন আবার বামেদের অনুসরণ করতে শুরু করেছে বিজেপি।

মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ছিল গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে সকালেই নির্বাচন কমিশনকে ক্লিনবোল্ড করে দেয় সিপিএম। ই-নোমিনেশন মামলায় গুরুত্বপূর্ণ জয় পান রবীন দেবরা। তাঁদের আবদনকে মঞ্জুর করে ই-নোমিনেশন বৈধ বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি। আদালতের এই রায়কে যুগান্তকারী ব্যাখ্যা দেয় রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

এরপর দ্বিতীয় দফায় মূল মামলাতেও কার্যত নাকাল হতে হয় রাজ্যকে। রাজ্য বাহিনী সংক্রান্ত যে রিপোর্ট জমা দেয়, তাতে আদৌ সন্তুষ্ট নন প্রধান বিচারপতি। ফলস্বরূপ কোনও রায়ই তিনি জানাতে পারেননি। শুনানি পিছিয়ে যায় বৃহস্পতিবার। ১৪ মে ভোট কি না নির্ধারণ হবে ১০ মে। একেবারেই বেনজির এই ঘটনাই প্রমাণ করে দিচ্ছে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা।

আর এই ঘটনায় উৎফুল্ল বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেস। প্রত্যেক বিরোধী দলই অনলাইন মনোনয়নপত্রকে স্বাগত জানিয়েছেন। বাহিনী মামলাতেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কেননা সিভিক ভলেন্টিয়ারের মতো অনভিজ্ঞদের দিয়ে ভোট করানো বালখিল্য বলেই মনে করছেন তাঁরা। এতে আদৌ সুরক্ষিত হবে না ভোট। আর রাজ্যের এই প্রয়াস কার্যত প্রমাণ করে দিয়েছে নিজেদের ধামাধরা লোককে দিয়েই ভোট করাতে চায় তাঁরা।

এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, একের পর এক ঘটনায় রাজ্যের মুখ পুড়েছে। বারবার পরাজিত হয়েছে শাসক শিবির। হাইকোর্টে থাপ্পড় খাচ্ছে রাজ্য। ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে অনলাইন মনোনয়নে বৈধতা একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত।

সঠিক পথই দেখিয়েছে আদালত। আদালতকে এজন্য স্যালুট জানাতে হয়। আদালতের এই নির্দেশকে স্বাগত জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। নির্বাচন কমিশন মেরুদণ্ডহীন, তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে এদিন। প্রমাণ হয়ে গিয়েচে কমিশন স্বৈরাচারী শক্তির কাছে মাথা নত করে কাজ করছিল। সিপিএম বিধায়ক তথা বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন এদিনের জোড়া মামলায় ল্যাজে-গোবরে হয়ে গিয়েছে। এটা শুধু আদালতের জয় নয়, এটা বাংলার মানুষের জয়, গণতন্ত্রের জয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+