Kunal Ghosh: "বিএসএফের মদতে হামলা, আগুন দেখালে বিজেপির লাভ!" মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে চক্রান্ত দেখছেন কুণাল
Kunal Ghosh: মুর্শিদাবাদে অশান্তির পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন কুণাল ঘোষ। বিএসএফ ও বিজেপির বিরুদ্ধে শাসকদলের নেতার মুখে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ। বিজেপির বিরুদ্ধে ভুয়ো ছবি দিয়ে অপপ্রচার ও কুৎসা রটানোর অভিযোগ কুণাল ঘোষের। তৃণমূল নেতার মতে, "সবটাই সাজানো প্লট, গভীর ষড়যন্ত্র।"
কুণাল ঘোষ এদিন দাবি করেন, "বিএসএফের একাংশের সহযোগিতায় সীমান্ত থেকে হামলাকারীকে ঢুকিয়ে প্ররোচনা দিয়ে গন্ডগোল করানো হয়েছে। যারা গন্ডগোল করেছে, তাদের মূল পান্ডাদের এলাকার মানুষ চিনতে পারছে না। কোনও কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ কেন্দ্রের কোনও কোনও এজেন্সির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বিএসএফের একাংশকে কাজে লাগিয়ে দুষ্কৃতীদের দিয়ে হামলার পর সরানো হয়েছে।"

বেশিরভাগ দুষ্কৃতীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের নাকি মানুষ চিনতে পারছে না বলে দাবি কুণালের। তাঁর প্রশ্ন, "এই মাস্টারমাইন্ডরা এল কোথা থেকে? হামলার পর সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তাদের। গোপন ব্লুপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিকল্পিত হামলা হয়েছে। যারা গন্ডগোল করেছে, তাদের মূল পান্ডাদের কেউ চিনতে পারছেন না।"
সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য রাজ্যের ছবি বিজেপি বাংলার অশান্তির ছবি হিসেবে পোস্ট করেছে বলে দাবি কুণাল ঘোষের। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, "মিথ্যে প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। লখনউয়ের ছবি মুর্শিদাবাদের বলে চালাচ্ছে বিজেপি। ভয়ঙ্কর বিষ প্রচারে পা দেবেন না। ত্রিপুরায় অশান্তি হচ্ছে, অন্য রাজ্যের ভিডিও বাংলার বলে চালাচ্ছে। লখনউয়ের সিএএ প্রতিবাদের ছবি, বাড়িতে আগুন লাগানোর ছবি জলন্ধরের, অসমের এনআরসি প্রতিবাদের ছবি দেখানো হয়েছে।"
গোটা ঘটনায় বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন কুণাল ঘোষ। তিনি আরও বলেন, "আপত্তি প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক উপায়ে হোক, কিন্তু রাজ্যে আগুন জ্বালানোর ছবি দেখালে বিজেপির লাভ। আর বিজেপির বি টিম সিপিএম কংগ্রেসের লাভ। রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করছে তারা। বিজেপির পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা উচিত সুকান্তকে। মণিপুর জ্বললে আপনার বীরত্ব কোথায় থাকে?"












Click it and Unblock the Notifications