MD Selim: 'গণনা কেন্দ্রে এজেন্ট ঢুকতে না পারলে প্রতিরোধ হবে', চরম হুঁশিয়ারি মহম্মদ সেলিমের
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তারপরেই শুরু হবে কাউন্টিং। আগামী ৫ বছর ক্ষমতা কার হাতে থাকবে তার নির্ধারণের দিন আগামীকাল। কাউন্টিং নিয়ে তাই বিশেষ তৎপর শাসক বিরোধী উভয় শিবির। কোনও ভাবে যাতে কাউন্টিং সেন্টারে কোনও রাজনৈতিক দল প্রভাব খাটাতে না পারে তার জন্য একে অপরের দিকে কড়া নজর রেখেছে।
সকাল সকাল নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সেখানে যাওয়ার আগে আলিমুদ্দিনে প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তারপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যদি কোনও গণনা কেন্দ্রে বামেদের এজেন্টকে ঢুকতে না দেওয়া হয় বা তাঁদের ভয় দেখানো হয় তাহলে চরম প্রতিরোধ হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে হয় গণনা। কীভাবে ইভিএম এবং ব্যালট আলাদা আলাদা করে গোনা হয় কাউন্টিং সেন্টারগুলিতে। এতে সুবিধা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি অভিযোগ করেছেন গতকাল থেকেই একাধিক বাম এজেন্টের কাছে হুমকি মেসেজ আসছে। তাঁদের কাউন্টিং সেন্টারে যেতে হবে না বলে মেসেজ পাঠানো হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মহম্মদ সেলিম। সেখানে িতনি বলছেন, কাউন্টিং যাতে খুব সুষ্ঠভাবে হয় আর কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী হয়। আমরা আমাদের রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে গণনা লুট দেখেছি। যেখানে আজকের এই বিডিও, আইসিও, এসডিও, এসপি অফিস সব ব্যবহৃত হয়েছিল। একটা বড় অংশের মানুষ যারা এতদিন বুথমুখো হতে পারেনি। আমাদের প্রার্থীরা লড়েছে সারাদিন ধরে ভুয়া এজেন্ট ধরেছে। এরপর তো আমাদের ফেক কাউন্টিং স্টাফ ধরতে হবে।
গতকাল ইন্ডিয়া ব্লকের লিডারশিপের তরফ থেকে ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার কাছে যাওয়া হয়েছিল সেখানে আমরা একটা হলফনামা জমা দিয়েছি। আমাদের প্রার্থীরা ইলেকশন এজেন্টরা বিভিন্ন আরও দের যে মিটিং হয়েছে সেখানে লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে সেগুলো পয়েন্ট আউট করেছেন। এক্সিট পোলে একটা সাইকোলজিক্যাল ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে সব গেল গেল ভাব।
ইলেক্টোরাল বন্ডে বিভিন্নভাবে টাকা উঠেছে এবং সেগুলো ঘুরছে। একটিসিট পোলটা যেন আগে থেকেই করে দেয়া হয়েছিল। ভোট গণনার দিন যাতে কোনো লুট না হয় যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয় যাতে কোন ফেক কাউন্টিং স্টাফ না ঢোকে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত লোকজনকে কার্ড ইস্যু করে দিয়ে আরও অফিস থেকে এআরও অফিস থেকে যাতে ঢোকানো না হয়। ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নাম করে ইয়ং কম্পিউটার জানা ছেলেমেয়েদের রিক্রুট করা হয়নি।
ওদেরকে বেশিরভাগটাই এজেন্সিকে দিয়ে কন্ট্রাকচুয়াল বা পার্টটাইম করে রাখা হয়েছে তাহলে সরকারি অফিসে কি এমন লোকজন নেই যারা কম্পিউটার অপারেট করতে পারে সরকারের এমন দেউলিয়া অবস্থা হয়েছে। তাহলে আমরা বলছি ব্যাংক এলআইসি বা সেন্ট্রাল গভমেন্ট এ তো কম্পিউটার জানা লোক আছে। একজনের নামে কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে আরেকজন ব্যবহার করছে সিএপিএফ যাতে তিনটে পয়েন্ট চেক করে।












Click it and Unblock the Notifications