Mamata Banerjee: রায়ের নেপথ্যে অন্য খেলা! আশঙ্কা মমতার, সরকারের হয়ে লড়বেন কারা?
সোমবার চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন সেদিকেই নজর ছিল সব মহলের। বৈঠকের শুরুতেই শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেদের দাবি তুলে ধরেন। এরপরই বক্তব্য় রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যের শুরুতেই সিপিএম এবং বিজেপিকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই বিচার ব্যবস্থাকে নিশানা করেন মমতা।
মমতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে নিশানা করে বলেন, সিপিএম ৩৪ বছর অনেক অন্যায় করে গিয়েছে। চিরকুটে চাকরি দিয়েছে কারণ আমি বলেছিলাম, বদল চাই, বদলা নই। তুমি( বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য) গিয়ে কেন অ্যাপ্লাই করলে?

বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে মমতা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আমার হৃদয় পাথর হয়ে গিয়েছে। লাল, নীল, গেরুয়া কোনও রঙ আমি দেখব না। অনেকে আমার বক্তব্য রেকর্ড করে বিচারপতির কাছে পাঠাতে পারেন। আমাকে জেলে ভরার জন্য। রায়ের নেপথ্যে অন্য কোনও খেলা নেই তো। কে খেলাটা খেলল,সুপ্রিম কোর্ট জানাতে পারেনি, কারা যোগ্য, কারা অযোগ্য। আইনে বলা রয়েছে, ১০ হাজার অপরাধী সাজা পেয়ে যাক, এক জন নিরপরাধও যেন সাজা না পান।
মমতা বলেন, যোগ্য ব্যক্তির চাকরি যাতে না যায়, সেটা আমরা নিশ্চিত করব। প্রথমত শীর্ষ আদালতের কাছে আমরা জানতে চাইব কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য সেই তালিকাটা আমাদের দিন। যদি তারা দিতে পারে খুবই ভালো। প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে, প্রথমে অভিজিতবাবুর বেঞ্চে, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির লিস্ট বাতিল করা হয়। তারপর ডিভিশন বেঞ্চে, সবটাই করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের এর আগের বিচারপতি একটা অর্ডার দিয়েছিলেন। অন্য একজন বিচারপতি সেটা বদলে দিলেন কীভাবে।
রাজ্য সরকারের হয়ে যোগ্যদের সমর্থনে আইনি লড়াই করেন , রাকেশ দ্বিবেদী, প্রশান্ত ভূষণ, কল্যাণ ব্যানার্জী, অভিষেক মনু সিংভি, কপিল সিব্বল। এর পাশাপাশি যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কোনও আইনজীবী থাকলে তাঁকে এই টিমে রাখা হবে।












Click it and Unblock the Notifications