Mamata Banerjee: মুর্শিদাবাদে নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্য, আন্দোলন দিল্লি নিয়ে যেতে বার্তা মমতার
Mamata Banerjee: ওয়াকফ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরোধিতা জারি থাকবে। দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করতে পরামর্শ। প্রয়োজনে ইন্ডি জোটের সব দল যোগ দেবে সেখানে। নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের বৈঠকে এমনই বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদে হিংসায় নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্যের ঘোষণা। ক্ষতিগ্রস্তদেরও সাহায্যের ঘোষণা মমতার।
মমতা বলেন, "যারা মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে। যাদের বাড়ি ভেঙেছে, তাদেরকে বাংলার বাড়ি করে দেওয়া হবে। আর যাদের দোকান ভেঙেছে, তাদেরটাও হিসেব করে মুখ্যসচিব ব্যবস্থা করে দেবেন।" মুর্শিদাবাদের অশান্তির নেপথ্যে কংগ্রেস ও বিজেপিকেই নিশানা মমতার। "যেখানে গন্ডগোল হয়েছে, তা আসলে মালদা আসনের মধ্যে পড়ে, ওখানে কংগ্রেস জিতেছে, ওদের উচিত ছিল শান্ত করা," বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতার দাবি, "সীমান্তে তদন্ত করব। বাচ্চা ছেলেদের দিয়ে ইট ছুড়ে হামলা করা হয়েছে। বাংলাদেশের লোক যদি করে, তাহলে বিএসএফ কেন অ্যালাও করল, কেন ঢুকতে দিলেন? বিএসএফ-ও গুলি চালিয়েছে। সেটাতেও তদন্ত হবে। শীতলকুচিতে গুলি চালিয়ে ৪ জনকে মেরে দিয়েছিল। রামনবমীতে বিজেপির প্ল্যান ছিল অশান্তি করার। কিন্তু আপনারা সামিল হয়ে সেই প্ল্যান ভেস্তে দিয়েছেন। সমাজে কিছু কিছু গদ্দার রয়েছে, যারা পয়সা নিয়ে যে ডালে বসে, সেই ডালই কাটে, এত লোভের কী দরকার?"
ওয়াকফ আইনটা ভুল মনে করি, বললেন মমতা। হিন্দুদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আপনাদের সম্পত্তি কেড়ে নিলে আপনাদেরও গায়ে জ্বালা ধরত, ওদের তাই ধরেছে। বাংলার মাটিকে রক্তাক্ত বিষাক্ত করতে দেব না।" মমতা আরও বক্তব্য, "ভাঙড়ে অশান্তি করার দরকার ছিল না। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে। একটা গাড়ি কিনতে ৪০ লক্ষ টাকা লাগে। একের পর এক গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে, কেন? বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি হয়েছে।"
মমতার বার্তা, "ওয়াকফের মতো জনবিরোধী আইন সংশোধন করা হবে। ১ বছর অপেক্ষা করতে হবে, দিল্লিতে পরিবর্তন হবে, নতুন সরকার হবে। দরকার হলে যেদিন বিজেপি ক্ষমতা থেকে যাবে, ওরা যে জনবিরোধী আইনগুলো এনেছে। তাতে সংশোধন আনা হবে। বাংলায় আন্দোলন করে লাভ নেই, দিল্লিতে গিয়ে করুন। ইন্ডিয়া জোটের সকলকে আহ্বান করব আপনাদের সঙ্গে যোগ দিতে।"
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরছে বলে দাবি প্রশাসনের। খুলছে বাজার, দোকানপাট। ১৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে সেখানে। তাদের সঙ্গে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশও। যদিও এখনও ভয় তাড়া করছে গ্রামের হিন্দুদের। গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্থায়ী ক্যাম্পের দাবি জানাচ্ছেন তারা।












Click it and Unblock the Notifications