Left Brigade: মিশন '২৬! শহরে রবিবাসরীয় বাম ব্রিগেড; পুলিশি বন্দোবস্ত লালবাজারের, ফেরি বন্ধে ক্ষোভ হাওড়ায়
Left Brigade: বছর ঘুরলেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটকে পাখির চোখ করে ময়দানে ঝাঁপাচ্ছে বামেরা। বামেদের শ্রমিক, কৃষক, ক্ষেতমজুর ও বস্তি ফেডারেশনের ডাকে রবিবারের ব্রিগেড সমাবেশ। সকাল থেকেই শহরতলি ও জেলা থেকে ধর্মতলার পথে বাম কর্মী ও সমর্থকরা। ছুটির দিনে সমাবেশ ঘিরে সতর্ক রয়েছে লালবাজারও।
রাজ্যের ২৬ হাজার চাকরি বাতিল ইস্যু থেকে আরজি করের ঘটনা, সাম্প্রতিক মুর্শিদাবাদের অশান্তি, সবই উঠে আসবে ব্রিগেড সমাবেশে। রাজ্য তো বটেই, কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতি থেকে মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগও তুলবেন বক্তারা। এবারের ব্রিগেড শুরু দেরিতে। বেলা ৩টেয় শুরু মূল অনুষ্ঠান। মূল মঞ্চ দৈর্ঘ্যে ৪৮ ফুট ও চওড়ায় ৩২ ফুট, উচ্চতা ১০ ফুট। মূল মঞ্চের নীচে সাংস্কৃতিক মঞ্চ। তারপর দ্বিস্তরীয় ব্যারিকেড ও সাধারণ কর্মী সমর্থকদের আসন।

এদিকে ব্রিগেডের সকালে হাওড়া স্টেশনে নেমে বিপাকে বাম কর্মী সমর্থকরা। লঞ্চঘাট বন্ধ থাকায় তীব্র ক্ষোভ বাম কর্মী সমর্থকদের। বিভিন্ন জেলা ও শহরতলি থেকে ট্রেন ঘরে স্টেশনে নেমে লঞ্চ ঘাট বন্ধ দেখে ক্ষোভ জানান কর্মীরা। দফায় দফায় অবরোধও করেন তারা। কর্মী সমর্থকদের দাবি, এভাবে চক্রান্ত করে আটকানো যাবে না তাঁদের। ফেরি সার্ভিস না পেয়ে পায়ে হেঁটেই মিছল করে ব্রিগেডে যাওয়ার কথা বলেন তাঁরা। যদিও কম সংখ্যক লঞ্চ থাকায় ও বাকি লঞ্চ মেরামতিতে যাওয়ার কারণে পরিষেবা বন্ধ বলে জানায় জলপথ পরিবহন সমিতি।
ব্রিগেড ঘিরে পুলিশি বন্দোবস্তও আঁটোসাঁটো করেছে লালবাজার। সূত্রের খবর, ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ৬ জন অফিসার রাখা হয়েছে। এসআই ও এএসআই পদমর্যাদার ১২ জন করে অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও প্রায় ৮০ জন পুলিশ কর্মী থাকছেন। ১৫ জন মহিলা পুলিশও রাখা হচ্ছে। ধর্মতলা চত্বরের আশেপাশে ৭টি পুলিশ পিকেটিং টিম থাকছে। ২টি অ্যাম্বুল্যান্সও রাখা হয়েছে। কড়া রোদে ব্রিগেডে জলের ব্যবস্থা রাখা বচ্ছে সর্বত্র। মেডিক্যাল টিমও থাকবেন সেখানে।
বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সমাবেশ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এবারের ব্রিগেডে কাস্তে হাতুড়ি শিবিরের মূল টার্গেট শ্রমজীবী মানুষের আস্থা অর্জন করা। সর্বহারা কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির হয়ে সওয়াল তুলে কর্মী সমর্থকদের চাঙ্গা করার দাওয়াই তুলে ধরা হবে ব্রিগেডে। পাশাপাশি পুরোনো ভোটব্যাঙ্ককে পুনর্জীবিত করাও লক্ষ্য থাকবে বামেদের। যারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তাদের আবার ভরসা জোগাবে লাল ব্রিগেড।
রবিবাসরীয় ব্রিগেডে বক্তাদের তালিকায় রয়েছেন সিপিএমের ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক নিরাপদ সর্দার, সিটুর সাধারণ সম্পাদক অনাদি শাহু, হুগলির ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের নেত্রী বন্যা টুডু, কৃষক আন্দোলনের নেতা অমল হালদার। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও বক্তব্য রাখবেন। বিধানসভায় শূন্য আসন নিয়ে কটাক্ষ শুনে আসতে হয় বামেদের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় খাতাই খুলতে পারেনি সিপিএম। এবার সেই শূন্যের গেরো কি কাটাতে পারবে দল? সেই প্রশ্নই থাকছে।












Click it and Unblock the Notifications