Brigade: "মুর্শিদাবাদকে সংখ্যালঘু নিধনের জায়গা হতে দিতে পারি না," ব্রিগেডে সেলিম-উবাচ; বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি
Left Brigade: ছাব্বিশের আগে বামেদের হাতিয়ার ব্রিগেড। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে উঠে এল মুর্শিদাবাদের সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গ। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের দাবি, অশান্তির জন্য দায়ী তৃণমূল ও বিজেপিই। সামশেরগঞ্জে বাবা ও ছেলে খুনের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিও তুললেন মহম্মদ সেলিম। পুলিশের বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক অভিযোগ সেলিমের।
মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে সেলিম বলেন, "সামশেরগঞ্জ, সুতিতে গিয়েছিলাম সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে। কোথাও পুলিশের গুলিতে, কোথাও হামলাকারীদের আক্রমণে মানুষ মারা গিয়েছেন। জ্যোতি বসু বলেছিলেন, সরকার না চাইলে দাঙ্গা হয় না। ধর্মের নামে বেসাতি যারা করে, বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমরা মুর্শিদাবাদকে বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু নিধনের জায়গা হতে দিতে পারি না।"

মুর্শিদাবাদের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে সেলিম বলেন, "২০১১ এর পর থেকে এতদিন দাঙ্গা নিয়ে একটাও বিচারবিভাগীয় তদন্ত হয়নি। তদন্ত হলে মুর্শিদাবাদে যে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে পুলিশ খুন করল, তার দুধ কা দুধ পানি কা পানি হবে। কিন্তু বিচারবিভাগীয় তদন্ত মমতা ব্যানার্জি করবেন না। বিজেপিও চাইবে না। তাহলে হিন্দু মুসলিম কীকরে হবে? আমরা বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি।
মুর্শিদাবাদের ক্ষতিগ্রস্ত সকলের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলেও সওয়াল সেলিমের। তাঁর কথায়, "তদন্ত হলে বেরিয়ে আসবে কারা ষড়যন্ত্র করল, কী ব্লু প্রিন্ট ছিল। সূত্রের খবর দিয়ে বলা হচ্ছে বাইরের লোক এসে দাঙ্গা করেছে। তাহলে সীমানা পার করল কীকরে? তাহলে বর্ডারে কেন নজরদারি হল না। বিএসএফ পুলিশ ডিএম এসপি মিলে কাজ করে। তাহলে কেন গোয়েন্দা ব্যর্থতা হল?"
ব্রিগেড সমাবেশ থেকে মমতা ভয় পেয়েছেন বলে দাবি সেলিমের। ব্রিগেডে কারা বাস দিচ্ছে, সেবিষয়েও মমতা নজরদারি চালিয়েছেন বলে দাবি সেলিমের। সিপিএম নেতার প্রশ্ন, দাঙ্গায় কেন এত নজরদারি ছিল না? রাজ্যে পুলিশ সংস্কার দরকার। এই পুলিশ দলদাস, এদের দিয়ে হবে না। মানুষের জন্য পুলিশ, ভিআইপির জন্য না। কেন আগুন লাগার ৫ ঘণ্টা পরও দমকল গেল না? আমরা জবাব চাইছি।"
মুর্শিদাবাদের অশান্তির প্রসঙ্গ তুলেই সেলিম বলেন, "ওয়াকফের সংশোধন নিয়ে বিরুদ্ধে গোটা দেশে প্রতিবাদ হচ্ছে, শুধু বিজেপি আর তৃণমূলের পাঁচ-ছয় জন সাংসদ ছাড়া। কোথাও তো অশান্তি হচ্ছে না। এখানে হল কেন? বাঁচতে গেলে হিন্দু মুসলিম একসঙ্গে লড়তে হবে। লড়াইকে আমরা ভয় করি না। কিন্তু সেই লড়াই মন্দির মসজিদ নিয়ে নয়।"












Click it and Unblock the Notifications