Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

লক্ষ্মী পুজোর সামগ্রী কেনাকাটা অনলাইন বনাম বাজারের দশকর্মার দোকানে?কোন দিকে ঝুঁকছে বাঙালি?

দুর্গা পুজোর পর এখন লক্ষ্মী পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গৃহস্থের ঘরে ঘরে।সোমবার গৃহস্থের ঘরে ঘরে পুজিত হবে কোজাগরী লক্ষ্মী দেবী। লক্ষ্মী পুজোতে বাঙালির প্রতি ঘরে ঘরে তোরজোর শুরু হয়।আর তারই সুবাদে ফল, মিষ্টি, দশকর্মার সামগ্রী প্রতিটি উপকরণই পুজো আয়োজনে এক বিশেষ স্থান দখল করে। কিন্তু আধুনিকতার যুগে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ব্যস্ত জীবনে বাজারে ঘুরে সব জিনিস কেনাকাটা করা কি এখনও সম্ভব? তবে এই উত্তরটা ঠিক স্পষ্ট নয়।

শহরের প্রায় সব ঘরে কাজের চাপ এতটাই বেড়েছে যে লক্ষ্মীপুজোর বাজারে যাওয়া যেন বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে এখন এই সমস্যার সমাধান এসেছে অনলাইনের মাধ্যমে। শুধুমাত্র কয়েক ক্লিকেই বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিমা, ফল, মালা, ধূপ, ঘি,মধু সহ পুজোর প্রায় সব উপকরণই। কলকাতার এক গৃহবধূ কল্পনা দাস জানালেন ''কয়েক বছর আগে পুজোর দিন বাজার করতে করতে ক্লান্তি নেমে আসত। এখন অনলাইনের জামানায় অনলাইন অর্ডার দিলে সেই ঝক্কি আর নেই, নিমেষেই মুহুর্তের মধ্যে পৌঁচ্ছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে পুজোর সামগ্রী ও উপকরণ।''

তবে শহরের বাজারের ছবিটা এখনও একটু আলাদা। কলকাতার বেশকিছু বাজারের দশকর্মার দোকানগুলির সামনে ভিড় চোখে পড়ার মতো। দশকর্মা ব্যাবসায়ী বিমল সরকার বললেন, ''অনলাইনে অর্ডারে যে পুজোর উপকরণ আসে তাতে সীমিত উপকরণ থাকে। ক্রেতারা চাইলে সব নির্বাচন করতে পারেন না। আমাদের দোকানে চাঁদমালার মতো পঞ্চাশ প্রকার পণ্য রয়েছে, যেটি গ্রাহক নিজের চোখে দেখে মনপছন্দসই বেছে নিতে পরেন।''

উত্তর কলকাতা ও দক্ষিণ কলকাতার বাজারেও একই অবস্থা। মানুষ সরাসরি দোকানে এসে পছন্দ মতো জিনিস কিনতে চান। ব্যবসায়ী নিতাই দাসের কথায়, ''অনলাইনে অর্ডার দিলে ঝক্কি কম হলেও, কিন্তু সব জিনিস হাতের কাছে পাওয়া যায় না। মধ্যবিত্ত বাঙালি এখনও নিজের চোখে দেখে কেনাকাটা করতে বেশি পছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।''

অপর এক গৃহবধূ মিতালি সরকার বলেন, ''আমি অনলাইনে রুপচর্চা সহ বেশকিছু সাধারণ জিনিস কিনি, কিন্তু পুজোর উপকরণ অবশ্যই বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসি, এবছরও তাই করেছি । আগে থেকেই দোকানে ফোন করে ফর্দ মিলিয়ে সামগ্রী নিয়ে রাখি। তবে শেষ মুহূর্তে বিশেষ কিছুর প্রয়োজনে অনলাইন সাহায্য করে, কিন্তু বাজারের আনন্দটাই আলাদা।''

বিপ্লব দাসের মতো তরুণ দম্পতিও বাজার ঘুরে পুজোর সব জিনিস হাতে নিতে পছন্দ করেন বলে জানালেন। ''অনলাইন সুবিধাজনক হলেও, কিন্তু বাজারে এসে সব দেখা যায়, দামও ঠিক থাকে। তাই আমরা বাজার ঘুরেই কিনি,''

তবে দাম বড় একটি কারণ অনলাইনের জনপ্রিয়তার। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ প্যাকেজ ১,১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে, যেখানে প্রায় ৪০ রকম উপকরণ রয়েছে। বাজারে একই জিনিসগুলো কিনলে খরচ কমও হতে পারে।

তবে অনলাইন সুবিধা দিলেও বাঙালি এখনও বাজার ঘুরে পুজোর স্বাদ নিতে চাইছেন। দশকর্মার দোকান, মালা আর ধূপের সুগন্ধ এই সবই প্রতিফলিত করছে শহরের মানুষের ঐতিহ্যবাহী বাজারের আবেদনকেই।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+