কসবায় আধিকারিক খুনে জেরা! গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে, জানিয়েছেন জয়েন্ট সিপি ক্রাইম
লুটের উদ্দেশ্যেই খুন। কসবার টেগোর পার্কে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক শীলা চৌধুরীর খুনের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে এমনটাই মনে করছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা।
লুটের উদ্দেশ্যেই খুন। কসবার টেগোর পার্কে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক শীলা চৌধুরীর খুনের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে এমনটাই মনে করছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। রবিবার ঘটনাস্থলে যান ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। দড়ি ঝুলে থাকায় ফ্ল্যাটের বারান্দার সামনে থাকা ডোবাতেও চলে তল্লাশি। পুলিশের সন্দেহ খুনের পিছনে রয়েছে পরিচিত কারও হাত। ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। জানিয়েছেন জয়েন্ট সিপি ক্রাইম।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরের খাবার খাওয়ার আগেই খুন হয়েছেন শীলা চৌধুরী। নিজে একা থাকলেও অন্তত তিন থেকে চারজনের জন্য রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শীলা চৌধুরীর রান্না ঘর থেকে এমনটাই প্রমাণ মিলেছে। জানা গিয়েছে, শনিবার মাত্র একজনকেই ভিডিও কল করেছিলেন শীলা চৌধুরী। এছাড়াও একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে এগোতে চাইছেন তদন্তকারীরা। যে নম্বরে ভিডিও কল করা হয়েছিল, সেই নম্বরটি বন্ধ ছিল। সেই নম্বরের সঙ্গে যুক্ত একটি নম্বর খুঁজে পায় পুলিশ। সেই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর পুলিশের সামনে হাজিরা দিতে বলা হয়। যদিও সেই ফোনটি এরপর থেকে বন্ধ বলেই জানা গিয়েছে।
শনিবার শীলা চৌধুরীর পরিচিত যে ব্যক্তি ফ্ল্যাটে গিয়ে দেহ প্রথম দেখেছিলেন, তিনি প্রাক্তন এক বন আধিকারিক। রবিবার প্রাক্তন এই আধিকারিককে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও পরিচারককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে বাইপাসের এক জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘরের কোনও টাকা পাওয়া যায়নি। এছাড়াও ঘরে থাকা আট থেকে দশটি গয়নার বাক্সও ছিল ফাঁকা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনাটি মার্ডার ফর গেইন। যদিও, অপর একটি তত্ত্বও উঠে আসছে। সামনে থেকে ঘটনাটি মার্ডার ফর গেইন-এর মনে হলেও এর পিছনে অন্য কোনও ঘটনাও থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। নেপথ্যে পরিচিত ব্যক্তির হাত রয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। এমন কী ঘটনায় একাধিক আততায়ী থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।
খুনের প্রমাণ লোপাটের জন্য বিস্ফোরণে ছক ছিল আততায়ীদের। এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেইজন্যই রান্নাঘর থেকে বারান্দা পর্যন্ত আসা, দড়ির মতো করে পাকানো গামছার পাড় পাওয়া গিয়েছে।
কলকাতা পুলিশের তরফে বিদেশে থাকা মৃতের ছেলের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications