ভুয়ো নিয়োগপত্র তৈরি করে চাকরি, ভূগোল শিক্ষকের নিয়োগ কাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
ভুয়ো নিয়োগ পত্র তৈরি করে তিন বছর ধরে ভূগোলের শিক্ষক পদে চাকরি। চাঞ্চল্যকর মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ডিআইডি সিআইডিকে তলব করে মামলার তদন্তের রিপোর্ট ২ সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে বলেছেন বিচারপতি। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত ভুয়ো শিক্ষকের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ভুয়ো ভুগোল শিক্ষক
মুর্শিদাবাদে ভুয়ো নিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্যকর মামলা। নিয়োগ পত্র নকল করে ৩ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে অনিমেষ তিওয়ারি নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সোমা রায় নামে এক চাকরি প্রার্থীর দায়ের করা আরটিআইয়ের পরেই এই তথ্য প্রকাশ্যে আসে। অন্য এক চাকরি প্রার্থীর নিয়োগপত্র নকল করে অনিমেষ তিওয়ারি চাকরি করছিলেন বলে অভিযোগ। আর সেই ভুয়ো নিয়োগ পত্র নিয়েই ৩ বছর ধরে চাকরি করে চলেছেন তিনি।

সিআইডি তদন্তের নির্দেশ
মুর্শিদাবাদে ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে ৩ বছর ধরে চাকরি করার ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি এই মামলায় ডিআইজি সিআইডিকে তলব করেছিলেন আদালতে। সেই নির্দেশ মত বৃহস্পতিবার আদালতে হাজিরা দেন ডিআইজি সিআইডি। এদিন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু সিআইডিকে তদন্ত করে ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে। অর্থাৎ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে তদন্তকারী সংস্থাকে।

ডিআইদের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ
এদিন মামলার পর্যবেক্ষনে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ডিআইদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ডিআই কীভাবে জানেন না এই বিষয়ে। ডিআইকে না জানিয়ে কীভাবে নিয়োগ হতে পারে। এই ঘটনায় ডিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। ডিআইরাও তদন্তের বাইরে থাকবেন না বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সিআইডি তদন্তের নির্দেশে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন একটি নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্ত যখন সিবিআই করছে তখন আবার একটি সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছিলেন।

ভুয়ো শিক্ষকের বেতন বন্ধের নির্দেশ
ভুয়ো নিয়োগ পত্র নিয়ে কীভাবে ৩ বছর একটি স্কুলে চাকরি করলেন মুর্শিদাবাদের ভুগোল শিক্ষক অনিমেষ তিওয়ারি। এই প্রশ্ন তুলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষকের স্কুলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। কোনও ভাবেই যাতে অভিযুক্ত শিক্ষক স্কুলে প্রবেশ করতে না পারেন তার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications