কেঁচো খুঁড়তে কেউটে, কেএমসির হলগ্রামও চুরি, দেবাঞ্জন জালিয়ািতর শরিক 'টিম-১৩'
কেঁচো খুঁড়তে কেউটে, কেএমসির হলগ্রামও চুরি, দেবাঞ্জন জালিয়ািতর শরিক 'টিম-১৩'
ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কলকাতা পুরসভার হলগ্রামও চুরি করেছিলেন দেবাঞ্জন। তার থেকেই তদন্তকারীরা মনে করছেন দেবাঞ্জনের সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কোনও আধিকারীকের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। কারণ হলগ্রাম কখনও নকল করা যায়না। দেবাঞ্জনের জালিয়াতির কর্মকাণ্ডে ১৩ জনের টিম কাজ করত। ইতিমধ্যেই সেই টিমের ১১ জনের হদিশ পেয়েছে পুলিশ।

পুরসভার হলগ্রাম নকল
কলকাতা পুরসভার যুগ্ম সচিব হিসেবেই নিজের পরিচয় দিতেন দেবাঞ্জন। পুরসভার স্ট্যাম্প দেওয়া কাগজেই নিয়োগ পত্র দিতেন তিনি। কলকাতা পুরসভার হেডক্লার্ক হিসেবেও একজনকে নিয়োগ করেছিলেন। তাঁকে নিয়োগ পত্র পুরসভার স্ট্যাম্প লাগানো কাগজেই দিয়েছিলেন। এমনকী পুরসভার হলগ্রাম পর্যন্ত চুরি করেছিলেন দেবাঞ্জন। হলগ্রাম নকল করা যায় না। তাই এই কাজে তাঁেক কলকাতা পুরসভারই কোনও আধিকারীক সহযোগিতা করেছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

১৩ জনের টিম দেবাঞ্জন
দেবাঞ্জনের এই জালিয়াতির কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল ১৩ জনের একটি টিম। ১৩ জনের টিম তৈরি করে কাজ করতেন দেবাঞ্জন। এই ১৩ জন দেবাঞ্জনের সব কর্মকাণ্ডের কথা জানতেন। তারমধ্যে ১১ জনের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। একজন সহযোগীকে ইতিমধ্যে আটকও করা হয়েছে। তাঁকে জেরা করছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুরসভার চেক দিয়েই কর্মীদের বেতন িদতেন দেবাঞ্জন।

নেতামন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি
দেবাঞ্জনের সঙ্গে একাধিক নেতা মন্ত্রীর ছবি পাওয়া গিয়েছে। দেবাঞ্জনের টুইটারে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি পাওয়া গিয়েছে।তার আগে ফিরহাদ হাকিম, শান্তনু সেনের সঙ্গে ছবি পাওয়া গিয়েছে। শান্তনু সেন ইতিমধ্যেই দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। সেই ছবিগুলিকে কাজে লাগিয়েই নিজের জালিয়াতির ব্যবসা চালানের দেবাঞ্জন এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মেহেতা বিল্টিং যেতে ইনজেকশন কেনা
মেহেতা বিল্ডিং থেকে ইনজেকশন কিনেছিলেন দেবাঞ্জন। নিজেকে পুরকর্তা পরিচয় দিয়েই মেহেতা বিল্ডিংয়ে দুই দফায় ইনজেকশন কিনেছিলেন। পুরসভার ভুয়ো কাগজ দেখিয়েই সেই ইনজেকশন কিনেছিলেন তিনি। তারপরেই একাধিক জায়গায় করোনা টিকার ক্যাম্প করেন দেবাঞ্জন। ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রায় ১ বছর ধরে জালিয়াতির জাল বিছিয়ে ছিলেন তিনি। প্রথমে মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবসা করবেন বলে টাকা তুলেছিলেন। পরে ধীরে ধীরে ভ্যাকসিনের জালিয়াতি শুরু করেন।












Click it and Unblock the Notifications