Jogesh Chandra College: যোগেশ চন্দ্র কলেজে বহিরাগতদের দাপাদাপি নিয়ে সওয়াল-জবাব, অধ্যক্ষের সমালোচনায় হাইকোর্ট

Jogesh Chandra College: সরস্বতী পুজোর পর দোলযাত্রাতেও উত্তপ্ত যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী ল কলেজ। বহিরাগতদের একাংশ ও ল কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে তুমুল বচসা বাঁধে। জোর করে বহিরাগতরা রঙ মাখিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন ছাত্রীরা। মহম্মদ সাব্বির আলির নেতৃত্বে কয়েকজন বহিরাগত এসে কলেজে জোর করে রঙ মাখায় বলে অভিযোগ। জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত।

বহিরাগতদের দাপাদাপি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কলেজেরই এক ছাত্র। বুধবার যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজে শুধু রঙের ব্যবহার হয়নি, লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি মামলাকারী ছাত্রের। সাব্বির আলি ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে মাফিয়ারাজ চালানোর অভিযোগ। পুলিশকে বারবার বলা সত্ত্বেও কিছু হয়নি। দাবি ডে কলেজ কর্তৃপক্ষের।

high court

পুলিশকে প্রচুর চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানাল ডে কলেজ কর্তৃপক্ষ। পুলিশের চোখের সামনেই সবটা হয়েছে, অথচ তারা কিছুই করেননি বলে দাবি মামলাকারী ছাত্রেরও। প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে কলেজের পরিচালন সমিতির বৈঠকে যোগ দিতে আসেন চেয়ারপার্সন ও তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। কলেজে বহিরাগতদের আনাগোনার অভিযোগ তুলে তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদেরই একাংশ। মালা রায় বেরিয়ে যেতেই ফের রং, জল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।

এদিকে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সাব্বির আলির আইনজীবী বলেন, "আমি একটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এই মামলা করা হয়েছে। প্রিন্সিপালের প্ররোচনায় এসব করা হচ্ছে। এই প্রিন্সিপাল একটি রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র।" পাল্টা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, ছাত্ররা যেখানে অসুরক্ষিত বোধ করছে সেখানে আদালতকে তো এটা খতিয়ে দেখতে হবে।"

হাইকোর্টের তুমুল সমালোচনার মুখে কলেজের অধ্যক্ষ। বিচারপতি আরও বলেন, "কেউ যদি আপনার নাম নিয়ে অবৈধ কাজ করে তাকে বের করে দিন। নেতা হিসাবে আপনারও দায়িত্ব ছাত্রদের সুরক্ষিত রাখা। এটা চলতে পারে না।" এদিন হাইকোর্টের নির্দেশে দুপুর ১টায় হাজির হন চারু মার্কেট থানার ওসি। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী বিশ্বব্রত বসু মল্লিক জানান, সবটা কলেজের ভেতরে ঘটেছে। কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। যদিও তাদের সামনে ঘটনা ঘটেইনি বলে জানান আইন কলেজের আইনজীবী।

দুই কলেজের প্রিন্সিপালই "ক্যালাস"। তাদের জন্যই এইসব গণ্ডগোল হচ্ছে বলে আদালতে সওয়াল রাজ্যের। হাইকোর্টের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, "প্রিন্সিপাল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে এটা ভেবেই ছাত্ররা কলেজে যায়। এটা প্রিন্সিপালের দায়িত্ব।" থানায় অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশকে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের নির্দেশ আদালতের। ঘটনা নিয়ে হলফনামা আদানপ্রদানেরও নির্দেশ। দু'সপ্তাহ পরে ফের মামলার শুনানি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+