করোনা নিয়ে কলকাতার রাস্তায় ফের কটূক্তির শিকার চিনা বংশোদ্ভূত নাগরিক
করোনা নিয়ে কলকাতার রাস্তায় ফের কটূক্তির শিকার চিনা বংশোদ্ভূত নাগরিক
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যত বাড়ছে ততই চিনা বংশোদ্ভূত নাগরিকদের প্রত্যহ কটূক্তির শিকার হতে হচ্ছে খাস কলকাতাতেই। কয়েকদিন আগেই দেখা যায় করোনা ভয়ে যখন কাঁপছে গোটা দেশ তখন এই মারণ ভাইরাস নিয়ে কলকাতার রাস্তাতেই কটূক্তি শুনতে হয় দার্জিলিংয়ের পড়ুয়াকে।

মুখে মঙ্গোলয়েড ছাপ দেখলেই জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য কলকাতা জুড়ে
সূত্রের খবর, এদের মধ্যে অনেকে জন্মের সময় থেকেই চিনে রয়েছেন। কেউ কখনও চিন যাননি পর্যন্ত। শুধুমাত্র তাদের মুখে মঙ্গোলয়েড ছাপ দেখে তাদের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য শুনতে হচ্ছে বলে খবর। প্রসঙ্গত গত বছরের শেষ দিকেই চিনের উহান শহরেই প্রথম দেখা মেলে এই ভাইরাসটির। তার পর তা এখনও পর্যন্ত বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে থাবা বসিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

একই চেহারা চায়না টাউনের
৪১ বছরের ফ্রান্সিস ইয়ে লেপচা যার দাদু বেশ কয়েক দশক আগে পাকাপাকি ভাবে চিন থেকে ভারতে চলে আসেন। কলকাতায় করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর বর্তমানে তাদের পরিবারকেও ক্রমাগত হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, কলকাতার ট্যাংরা এলাকায় বা যাকে সহজে চায়না টাউন বলে চেনা যায় সেখানেও মুদির দোকান থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটে চিনা বংশোদ্ভূতদের ক্রমাগত হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।

জাতিবিদ্বেষ ঠেকাতে অভিনব পন্থা
পেশায় সংগীতশিল্পী ফ্রান্সিস এই জাতিবিদ্বেষ ঠেকানোর জন্য অভিনব প্রতিবাদের রাস্তা বেচে নেন বলে জানা যায়। সম্প্রতি তিনি একটি টি-শার্ট পরে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেন, যাতে লেখা তিনি জন্মগত ভাবে কলকাতার বাসিন্দা এবং কখনও চিন যাননি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলে, "সাম্প্রতিককালে পুরী ভ্রমণের সময় আমি শুনতে পেয়েছি লোকেরা আমাকে তামাশা করে 'করোনা' বলে সম্বোধন করেছে। তখনই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে এই সম্পর্কে এবার আমার কিছু করা উচিত।"
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications