উৎসবের শহরেও চাকরির দাবিতে আন্দোলন চলছে ম্লান মুখগুলোর, গান্ধীমূর্তির নীচে গেলেন সেলিম
ঝলমল করছে আলো। উৎসবের আনন্দে মেতেছে গোটা বাংলা। শহর কলকাতায় আলোর রোশনাই। কিন্তু সব কিছুর থেকেই দূরে ওরা৷ দীর্ঘ সময় ধরে চাকরির জন্য আন্দোলন চলছে। আর কত দিন তারা আন্দোলন করবেন? এই প্রশ্ন উঠছে।
নবম - দশম ও একাদশ এবং দ্বাদশ তরে মেধা তালিকাভুক্ত সকল বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন চলছে। তাদের চাকরির কোনও সুরাহা হয়নি। পুজোর সময়েও আন্দোলনকারীরা কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে আছেন। আন্দোলন ধারাবাহিকভাবে চলছে তাদের।

শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান-বিক্ষোভ যন্ত্রণার এবং বঞ্চনার ৯৫১ তম দিন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করতে এলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তার সঙ্গে ছিলেন সিপিএমের আরও বেশ কয়েক জন তরুণ নেতৃত্ব।
শনিবার দুপুরের পর মহম্মদ সেলিম গান্ধী মূর্তির পাদদেশে পৌঁছান। পুজোর সময় বিক্ষোভকারীদের ভিড় তেমন নেই। ভাগে ভাগে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে খবর। কিন্তু তারা আন্দোলনে ছেদ টানতে চান না। সেজন্যই বাঙালির সব থেকে বড় উৎসবের দিনেও চলছে আন্দোলন।
বেশ কিছু সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ছিলেন মহম্মদ সেলিম। বর্তমান তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের কথা উঠে আসে বিক্ষোভকারীদের মুখে। রাজ্য সরকার চাকরি নিয়ে প্রতারণা করছে। এই অভিযোগ দীর্ঘ দিন ধরেই চাকরিপ্রার্থীরা করে চলেছেন।
এদিনও মহম্মদ সেলিমের সামনে একাধিক অভিযোগের কথা তুলে ধরেন বিক্ষোভকারীরা। সরকার এক একসময়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেছে৷ তারা আর কত সময় অপেক্ষা করবেন? সেই প্রশ্নও উঠেছে। বিক্ষোভ কারীদের আশ্বাস দিলেন মহম্মদ সেলিম।
এই অবস্থান বিক্ষোভের লড়াই আরও বৃহত্তর ভাবে করার ভাবনা দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন তিনি।
৯৫০ দিন আন্দোলন করে ফেললেন চাকরিপ্রার্থীরারা৷ দুটি পুজোর মরসুম তারা এভাবেই কাটালেন। হকের চাকরির জন্য লড়াই চলছে তাদের৷ বাড়িতে তাদের নতুন জামাকাপড় কেনা হয়েছে কী না জানা নেই৷ তাদের প্রত্যেকের চোখেমুখেই বিষাদের ছাপ। প্রশ্ন উঠছে, আর কত দিন?
কবে তারা চাকরি পাবেন? আইনি জটিলতা মিটিয়ে কবে তারা চাকরি করতে যাবেন?












Click it and Unblock the Notifications